ফ্লাইওভারের নিচে উচ্ছেদ নোটিশ — ভাড়া না দিলে ব্যবসা বন্ধ, প্রশ্ন তুলছে ব্যবসায়ীদের
business11 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ফ্লাইওভারের নিচে উচ্ছেদ নোটিশ — ভাড়া না দিলে ব্যবসা বন্ধ, প্রশ্ন তুলছে ব্যবসায়ীদের

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থিত ১৫টিরও বেশি দোকানে উচ্ছেদ নোটিশ জারি হয়েছে; ভাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণ ফি মেটালেও কেন হঠাৎ নোটিস এল, তা নিয়ে ব্যবসায়ীরা প্রশ্ন তুলছে। সমাধানে স্বল্পমেয়াদে ভাড়া হ্রাস ও সমন্বয় প্রস্তাব করা হয়েছে।

কলকাতা শহরে ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থিত দোকান‑দোকানের মালিকদের উপর হঠাৎ উচ্ছেদ নোটিশ জারি হয়েছে। নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর ও পৌরসভার মতে, ভাড়া, ট্রেড লাইসেন্স ফি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটাতে না পারলে তৃতীয় পক্ষের মালিকানা হস্তান্তর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে বেশিরভাগ ব্যবসায়ী দাবি করছেন, তারা ইতিমধ্যে সরকারি বিধি মেনে নিয়মিত ভাড়া প্রদান করে আসছেন; তবুও কেন অতিরিক্ত নোটিস এল তা স্পষ্ট নয়।

প্রায় ১৫টি দোকান‑দোকানকে লক্ষ্য করে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে, যেখানে বেশিরভাগই ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থিত। এধরনের ব্যবসা মূলত ছোটখাটো খাবার ঘর, রিটেইল শপ ও সেবা কেন্দ্র, যেগুলো শহরের চলাচল সুবিধা বাড়ায়। মালিকদের মতে, ভাড়া বাড়ানো ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ব্যয় নেই, আর রক্ষণাবেক্ষণ খরচের হিসাবও স্বচ্ছ। তবুও উচ্ছেদের হুমকি পেলে ব্যবসা বন্ধের ঝুঁকি বাড়ে, কর্মী ও গ্রাহক উভয়ই প্রভাবিত হয়।

নির্বাচিত বিশ্লেষকরা বলছেন, শহরের দ্রুত নগরায়ন ও ফ্লাইওভার নির্মাণের ফলে নগরস্থান সীমিত হচ্ছে, ফলে ঐতিহ্যবাহী ব্যবসাগুলোকে নতুন শর্তে কাজ করতে হচ্ছে। যদিও শহর পরিকল্পনা অধিদপ্তর উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয়, তবেই সমন্বয় না করলে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে সমাধান হিসেবে স্বল্পমেয়াদে ভাড়া হ্রাস বা সময়সূচি সমন্বয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অবশেষে, উচ্ছেড নোটিশের মূল উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। যদি অবৈধভাবে ভাড়া বাড়ানো হয় অথবা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অযথা চাপা হয়, তবে তা নগর উন্নয়নের পক্ষে নয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা ও ন্যায়সঙ্গত সমঝোতা করা জরুরি, যাতে শহরের ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা টিকে থাকে এবং নগর উন্নয়ন সুষ্ঠু ভাবে এগিয়ে যায়।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX