
BS৭‑এ দুই‑চাকার গাড়ির রিয়েল‑ড্রাইভিং এমিশন পরিমাপের পদ্ধতি নিয়ে শিল্পের তীব্র আপত্তি
অটোমোবাইল শিল্পের শীর্ষ সংস্থা BS৭ রিয়েল‑ড্রাইভিং এমিশন পরিমাপের পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে, সরঞ্জামের ওজন ও পরীক্ষার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সরকার এখনো স্পষ্ট নীতি না দিয়ে পাইলট টেস্টের দিকে ঝুঁকেছে।
কলকাতা—গৃহস্থালি ও ব্যবসায়িক ব্যবহারে সর্বাধিক জনপ্রিয় দুই‑চাকার গাড়ির উপর প্রস্তাবিত BS৭ নির্গমন মানদণ্ডের অধীনে রিয়েল‑ড্রাইভিং এমিশন (RDE) পরিমাপের পদ্ধতি অবিলম্বে চালু করার দাবি সরকারকে বিরোধিতা করতে অটোমোবাইল শিল্পের শীর্ষস্থানীয় সংস্থা একত্রিত হয়েছে। তাঁরা যুক্তি দিচ্ছেন যে বর্তমান সরঞ্জামের ওজন ও পরীক্ষার নির্ভুলতা দুই‑চাকার গাড়ির প্রকৃত চালনের পরিস্থিতি সঠিকভাবে প্রতিফলন করতে পারবে না।
BS৭ মানদণ্ডে গাড়ির নির্গমনকে শূন্য‑ইউনিটে নামিয়ে আনা লক্ষ্য হলেও, RDE পদ্ধতি মূলত চার‑চাকার গাড়ির জন্যই গৃহীত হয়েছে। দুই‑চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য পোর্টেবল এমিশন টেস্টিং ইউনিট (PEMS) এখনো অতিরিক্ত ওজনের কারণে গাড়ির গতি ও ত্বরণে প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে ফলাফল বিকৃত হতে পারে বলে শিল্পের প্রতিনিধিরা বলেছেন। এছাড়া, শহুরে ট্র্যাফিকের জটিলতা ও বৈচিত্র্যকে একটানা টেস্টে ধরা কঠিন বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
পরিবেশ সংস্থা ও নাগরিক গোষ্ঠী এই উদ্বেগকে স্বাগত জানিয়ে বলছে যে, নির্গমন মানদণ্ডের কঠোরতা ছাড়াই পরীক্ষার বাস্তবতা নিশ্চিত না হলে পরিবেশের ক্ষতি হ্রাসের লক্ষ্য ব্যর্থ হতে পারে। তবে, কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, দ্রুত রূপান্তর না হলে বায়ু দূষণ বাড়বে, তাই সরকারকে উপযুক্ত প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পর্যায়ক্রমে প্রয়োগের পরিকল্পনা গঠন করা উচিৎ।
সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে এখনো BS৭ রোলআউটের সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি, তবে এই আপত্তি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা একত্রে বৈঠক করে পাইলট টেস্ট চালু করার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। যদি পরীক্ষার ফলাফল যথাযথ প্রমাণ করে, তবে দুই‑চাকার গাড়ির জন্য বিশেষ RDE মানদণ্ড গড়ে তোলা যেতে পারে, যা শিল্প ও পরিবেশ উভয়ের স্বার্থ রক্ষা করবে।




