সস্তা হতে পারে স্মার্টফোন! জিএসটি কমাতে পারে কাউন্সিল, নজর মধ্যবিত্তের পকেটে
business19 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

সস্তা হতে পারে স্মার্টফোন! জিএসটি কমাতে পারে কাউন্সিল, নজর মধ্যবিত্তের পকেটে

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়াতে ১৮ শতাংশ জিএসটি কমানোর কথা ভাবছে জিএসটি কাউন্সিল। কর কমলে ফোনের দাম কমবে এবং মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্মার্টফোনের দাম কি এবার হাতের নাগালে আসবে? ইঙ্গিত তেমনই। দেশে মোবাইল ফোনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে স্মার্টফোনের ওপর বর্তমান ১৮ শতাংশ জিএসটি (GST) কমানোর কথা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে জিএসটি কাউন্সিল। দীর্ঘদিনের আলোচনার পর করের এই হার কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।

মূলত ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযান এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্মার্টফোনের অপরিহার্যতা বিবেচনা করেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবছে কেন্দ্র। বর্তমান বাজারে স্মার্টফোনের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে অনেক সাধারণ মানুষ নতুন ফোন কিনতে দ্বিধাবোধ করছেন। করের হার কমলে সরাসরি ফোনের দাম কমবে, যার ফলে বাজারে স্মার্টফোনের বিক্রি বাড়বে এবং প্রযুক্তিগত পরিষেবা আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে প্রান্তিক স্তরে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোনের ওপর করের বোঝা কমলে শুধু গ্রাহকরাই লাভবান হবেন না, বরং মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে অনেক কোম্পানি উচ্চ করের কারণে তাদের পণ্যের দাম কমাতে পারছে না। জিএসটি কমলে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কোম্পানিগুলো আরও আকর্ষণীয় অফার দিতে পারবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে জিএসটি কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠকে। সেখানে করের হার কত শতাংশ কমানো হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। যদি এই প্রস্তাব গৃহীত হয়, তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বাজারে নতুন দাম কার্যকর হতে পারে। আমজনতা এখন তাকিয়ে রয়েছে কেন্দ্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে, কারণ স্মার্টফোন এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজনীয় উপাদানে পরিণত হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, কর কমানোর এই উদ্যোগ ডিজিটাল বিপ্লবকে আরও ত্বরান্বিত করবে। শিক্ষা থেকে শুরু করে ব্যাংকিং পরিষেবা— সবকিছুই এখন ফোনের স্ক্রিনে বন্দি। তাই স্মার্টফোনের দাম কমলে সাধারণ মানুষ আরও সহজে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX