২০৩০-এর মধ্যেই ৬জি প্রযুক্তির লক্ষ্য, বিশ্বজয়ে বড় ঘোষণা মুকেশ আম্বানির
business9 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

২০৩০-এর মধ্যেই ৬জি প্রযুক্তির লক্ষ্য, বিশ্বজয়ে বড় ঘোষণা মুকেশ আম্বানির

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি নেটওয়ার্ক চালু করার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করল রিলায়েন্স জিও। মুকেশ আম্বানির এই উদ্যোগ ভারতকে বিশ্বের প্রথম সারির প্রযুক্তিগত দেশগুলোর তালিকায় পৌঁছে দিতে পারে।

বিশ্বজুড়ে যখন ৫জি নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটছে, ঠিক তখনই একধাপ এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করল রিলায়েন্স জিও। মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন এই সংস্থা ঘোষণা করেছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি প্রযুক্তি চালু করতে চায় তারা। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারত বিশ্বের সেই হাতেগোনা কয়েকটি দেশের তালিকায় নাম লেখাতে পারে, যারা প্রথম দিকেই এই অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই 'প্রি-৬জি' প্রযুক্তির ওপর কাজ শুরু করে দিয়েছে। বর্তমানের ৫জি-র তুলনায় ৬জি-র গতি হবে বহুগুণ বেশি, যা ডেটা আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও নিখুঁত করে তুলবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ইন্টারনেটের অফার (IoT)-র মেলবন্ধনে আগামী দিনে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক আমূল পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছে জিও কর্তৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬জি প্রযুক্তির প্রবর্তন শুধুমাত্র ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো নয়, বরং এটি স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্বয়ংক্রিয় যানবাহন এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আম্বানির এই ঘোষণা ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোকে আন্তর্জাতিক স্তরে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সরকারের 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া' অভিযানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই উদ্যোগ দেশকে প্রযুক্তিগতভাবে স্বনির্ভর করতে সাহায্য করবে।

তবে এই লক্ষ্যপূরণের পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। যেমন, নেটওয়ার্কের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং উচ্চমানের স্পেকট্রাম সংগ্রহ করা। তা সত্ত্বেও, রিলায়েন্স জিওর পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং বিপুল বিনিয়োগের ক্ষমতা এই লক্ষ্যকে বাস্তবসম্মত করে তুলেছে। ভারতের সাধারণ গ্রাহকরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই নতুন বিপ্লবের জন্য।

সামগ্রিকভাবে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৬জি চালুর এই পরিকল্পনা ভারতকে বিশ্বমঞ্চে এক প্রযুক্তিগত শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। যদি এই লক্ষ্য সফল হয়, তবে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হবে, যার সুফল পাবেন দেশের কোটি কোটি মানুষ।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX