বঙ্গে দাম আকাশ ছোঁয়া! মেঘালয় সীমান্তে রসুনের চোরাচালান গড়ছে কালো বাজার
crime9 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

বঙ্গে দাম আকাশ ছোঁয়া! মেঘালয় সীমান্তে রসুনের চোরাচালান গড়ছে কালো বাজার

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মেঘালয়ের পাহাড়ি সীমান্তে রসুনের চোরাচালান গরম, যা বাঙলার বাজারে রসুনের দামের উত্থান ঘটাচ্ছে। অবৈধ গতি থামাতে সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন।

মেঘালয়ের ঘন সবুজ পাহাড় ও জঙ্গলের ছায়ায় গড়ে উঠেছে এক অদৃশ্য যুদ্ধ। প্রতি রাতে, যখন সীমান্তের গ্রামগুলো ঘুমিয়ে পড়ে, চোরাচালানকারী দলে রসুনের বস্তা বস্তা গোপন পথে বাংলাদেশে পাঠায়। এই চক্রে কেবল গৌরবপুরের ছোট্ট গ্রামই নয়, তামালপুর, শিলিগুডি ও নূরপুরের কৃষকও যুক্ত, যারা দামের ফাঁক কাজে লাগাতে এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নেয়।

বঙ্গের বাজারে রসুনের দাম গত মাসে রেকর্ড‑সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, যা সাধারণ গ্রাহকের জন্য বড় অসুবিধা। বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম দ্রুত উঁচুতে উঠে, ফলে স্থানীয় কৃষকেরই ক্ষতি হয়। তদুপরি, এই অবৈধ ব্যবসা রাজস্বের ক্ষতি ঘটায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বিভাগকে অতিরিক্ত চাপ দেয়।

পুলিশ ও মেঘালয় শাসনকর্মীরা এখনো চরম সতর্কতা অবলম্বন করলেও, চোরাচালানকারীর জাল নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে গোপন গুদাম গড়ে তুলছে। তারা গাড়ি, হেলিকপ্টার বা ছোট নৌকায় রসুনের বস্তা লোড করে, রাতের অন্ধকারে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছায়। এই অবৈধ কার্যক্রম দমন করতে তদারকি বাড়াতে হবে, না হলে বাঙলার রসুনের দাম আর বেশি বাড়তে পারে।

উপসংহারে বলা যায়, মেঘালয়ের সীমান্তে রসুনের চোরাচালান শুধু এক আঞ্চলিক অপরাধ নয়, এটি দেশের কৃষি বাজারে গুরত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। যথাযথ সমন্বয়, তদারকি ও শাস্তি না দিলে বাঙলার গৃহস্থালীর রসুনের দাম আর বাড়তে পারে, আর কৃষক ও ভোক্তা দুজনেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX