
কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহে টানাপোড়েন, ফের কোর্টে তলব অভিষেককে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে চলছে। আদালত এখনও কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে বিষয়টি শোনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ডিজে মামলায় কণ্ঠস্বরের নমুনা নিতে আদেশ চ্যালেঞ্জ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাখিল করা মামলাটি এখন কলকাতা হাইকোর্টে শোনার অপেক্ষায়। বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডিংয়ে তার কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ রেকর্ডিংয়ের বৈধতা ও গোপনীয়তা রক্ষার প্রশ্ন উঠেছে। অভিষেকের পক্ষে বলা হচ্ছে যে, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের পদ্ধতি অবৈধ এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
হাইকোর্টের বিচারকবৃন্দ এ মুহূর্তে কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে মামলাটিকে চালু রেখেছেন, ফলে ডিএসডি‑এর দলিলসংগ্রহে অগ্রগতি রোধ করা সম্ভব হয়নি। উভয় পক্ষই আদালতে যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করতে প্রস্তুত, যেখানে প্রোডিউসার দল দাবি করে যে, কণ্ঠস্বরের নমুনা কেবলমাত্র সাউন্ড এডিটিং কাজে ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোনো অবৈধ উদ্দেশ্য নেই।
অভিষেকের পক্ষে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যে, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য পূর্বে স্পষ্ট সম্মতি নেওয়া হয়নি, ফলে সিভিল কোডের ধারা ১৯২ অনুসারে ক্ষতিপূরণ দাবি করা সম্ভব। অন্যদিকে, ডিএসডি‑এর আইনি দল বলছে যে, রেকর্ডিংটি শিল্প চর্চার অংশ এবং আইনের আওতায় সুরক্ষিত।
কোর্টের শেষ রায় এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে বিশেষজ্ঞরা ইঙ্গিত করছেন যে, এই মামলাটি ভবিষ্যতে মিডিয়া ও বিনোদন শিল্পে কণ্ঠস্বরের ব্যবহার নিয়ে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে। যদি উচ্চ আদালতে দিকনির্দেশনা না আসে, তবে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহে আরও কঠোর নিয়মাবলী তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরদার।
উপসংহারে বলা যায়, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আইনি কাঠামো এখনো স্পষ্ট নয়; আদালতের রায় নির্ধারিত হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষই সতর্কতা বজায় রেখে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে।




