মৃতদেহ নিতে হাসপাতালে প্রভাসের মা‑স্ত্রী
crime7 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

মৃতদেহ নিতে হাসপাতালে প্রভাসের মা‑স্ত্রী

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

বারুইপুরে নাবালিকার নির্যাতন ও হত্যার প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল গুলিবর্ষণে নিহত হয়। তার মা‑স্ত্রী মৃতদেহ নিতে হাসপাতালে গিয়ে স্নেহময় শোক মেনে নেয়, যা সমাজে বড় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

বারুইপুরের এক শান্তিপূর্ণ পল্লীতে ১১‑বছরের নাবালিকার ওপর যৌন নির্যাতন ও হত্যার অপরাধে প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশে ‘এনকাউন্টারে’ গুলিবর্ষণ করে মারা গেছেন। গৃহযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে প্রভাসের মা‑স্ত্রী, যাকে নাবালিকার আত্মীয় বলে দাবি করা হয়, ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ নিতে হাসপাতালে পৌঁছানো পর্যন্ত রক্তাক্ত গলে‑গলে কাঁদতে থাকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মৃতদেহে তীব্র আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়, যা নির্যাতনের পরপরই হত্যা হয়েছে বলে নির্দেশ করে।

প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগে সৎকর্মের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলার সেতু টানা হয়েছে। ন্যায়বিচার বিভাগের অধিনায়ক গোপাল চৌধুরী জানিয়েছেন, তদন্তে সব দিকই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে এবং প্রভাসের পরিবারকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। একই সাথে, নাবালিকার আত্মীয়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মা‑স্ত্রীকে প্রভাসের অপরাধে সহায়তা করা হয়েছে বলে সন্দেহ উত্থাপিত হয়েছে।

স্থানীয় সমাজে এই ঘটনার পর আঞ্চলিক স্তরে নারীর সুরক্ষার জন্য জরুরি আহ্বান তুলেছে। বারুইপুরের মহিলাদের সমিতি মুখ্য সম্পাদক রিতা দাস বললেন, “এ ধরনের হিংসা এবং যৌন নির্যাতন রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ দরকার, নইলে সমাজের মেরুদণ্ডই নষ্ট হবে।” তদুপরি, গৃহহিংসা শিকড় গাছের তলে গড়ে ওঠা এই অপরাধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে, সরকারকে নারীর সুরক্ষা ও হেলথকেয়ার সেবা বাড়াতে হবে।

অবশ্যই, মৃতদেহ নিয়ে হাসপাতালে যাত্রা করা মা‑স্ত্রীর মানসিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তদন্তের শেষে যদি প্রমাণ দেখা যায় যে মা‑স্ত্রীও অপরাধে জড়িত, তবে তাকে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এই ঘটনার মাধ্যমে সমাজে যৌন নির্যাতন ও হিংসার বিরুদ্ধে সজীব সচেতনতা গড়ে তোলার প্রয়োজন স্পষ্ট হয়েছে।

উপসংহারে বলা যায়, প্রভাস মণ্ডলের গুলিবর্ষণ এবং তার মা‑স্ত্রীর শোকময় যাত্রা কেবল একটি অপরাধের শেষ নয়, বরং সমাজের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার ব্যবস্থার প্রতি প্রশ্ন তুলে। ন্যায়বিচার প্রয়োগে দ্রুততা ও দৃঢ়তা না থাকলে, ন্যায়ের শাসন দুর্বল হয়ে যাবে। তাই, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা মিলিয়ে এই ধরনের অপরাধের শিকড় উখাদন করে, সবার জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX