
সন্ত্রাসবাদ অর্থায়নে ফের নজরে বাংলা! কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার ৪০ লক্ষ নগদ‑১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা
ইডি ও পশ্চিমবঙ্গের সিকিউরিটি দল কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে ৪০ লক্ষ নগদ এবং ১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা জব্দ করে সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন দমন করেছে। তদন্ত চলমান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
বিকালের অল্পই, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) লখনউ জোনাল অফিসের কর্তা এবং পশ্চিমবঙ্গের সিকিউরিটি বাহিনী একত্রে বড়সড় অভিযান চালায়। কালিকাপুরের একটি মাদ্রাসার গোপন কক্ষ থেকে ৪০ লক্ষ টাকার নগদ, সঙ্গে ১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা এবং বিভিন্ন বৈধ নথি জড়িত অযৌক্তিক নথি উদ্ধার করা হয়। এই জোগান সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে দেশজুড়ে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হবার সন্দেহ রয়েছে বলে ইডি এই পদক্ষেপকে “সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন দমন” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
অভিযানের সময় মাদ্রাসার দায়িত্বশীলদের ওপর আরোপিত অপরাধমূলক অভিযোগে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ এবং ‘সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন’ অন্তর্ভুক্ত। তদন্তে জানা গেছে, সমষ্টিগতভাবে প্রাপ্ত এই সম্পদগুলোকে তহবিল হিসেবে ব্যবহার করে দহশত রূপে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম চালানো হতো। ইডি কর্মকর্তারা বলছেন, এই ধরনের তহবিলের উন্মোচন সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে দুর্বল করে এবং দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সुदৃঢ় করে।
পশ্চিমবঙ্গের সিকিউরিটি গ্যাংের প্রধান শ্রী চন্দ্রশেখর রায়গুপ্ত জানান, “এমন বড় আকারের জব্দ দেশের নিরাপত্তা সংস্থার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। আমরা ভবিষ্যতে এধরনের গোপন চ্যানেল রোধে তীক্ষ্ণ নজর রাখব।” এছাড়া, মাদ্রাসা পরিচালনাকারী সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, “ধরা পড়া সকলের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে।”
অভিযোকে জড়িত কয়েকজনের বিরুদ্ধে জামিন অস্বীকার করে জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ইডি এখন এই জব্দকৃত সম্পদের উৎস, ব্যবহার এবং গন্তব্য সম্পর্কে বিশদ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে সন্ত্রাসবাদের আরেকটি আর্থিক ধারা বন্ধ করা যায়।
উপসংহারে, কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে জব্দ করা বিশাল নগদ ও সোনার মুদ্রা সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন বন্ধ করার জন্য একটি জোরালো সংকেত দেয়। নিরাপত্তা সংস্থার তীক্ষ্ণ পদক্ষেপ এবং আইনি কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও দৃঢ় করা সম্ভব হবে।




