চোরাপথে পাচার কন্দ! কাশ্মীরের ‘লাল সোনা’ জাফরানে নতুন বিপদ
crime1 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

চোরাপথে পাচার কন্দ! কাশ্মীরের ‘লাল সোনা’ জাফরানে নতুন বিপদ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

কাশ্মীরের লাল সোনা জাফরান উৎপাদন কমে যাওয়া ও চোরাপথে পাচারের ঝুঁকির মুখে। সরকার ও মন্ত্রণালয় এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে চায়।

শ্রীনগর — কাশ্মীরের সর্বোচ্চ মূল্যমানের কৃষিপণ্য জাফরান, যাকে ‘লাল সোনা’ বলা হয়, এখন চোরাপথে পাচারের ঝুঁকির সম্মুখীন। উপত্যকায় জাফরানের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং চাষের জমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ফলে বাণিজ্যিক দলে নজরদারির ফাঁক খুঁজে চোরেরা এই অমূল্য মশলা চোরাচালান করে বড়ো মুনাফা করতে চায়।

এই সমস্যার মূল কারণ হল জাফরানের চাহিদা বিশ্ববাজারে অবিরাম বাড়তে থাকা এবং স্থানীয় উৎপাদনের হ্রাস। উৎপাদন কমে গেলে দাম বাড়ে, যা চোরদের জন্য লোভের গন্ধ বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া, কৃষকদের আর্থিক সংকটের কারণে তারা কখনও কখনও অবৈধ চ্যানেলে বিক্রি করার প্রলোভনে পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসন ও কাশ্মীর কৃষি মন্ত্রণালয় একসাথে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা জাফরান ক্ষেত্রের সুনির্দিষ্ট মানচিত্র তৈরি করে নজরদারি বাড়াবে, বিশেষ করে চোরাপথে গতি বাড়ানো পথে গোপন ক্যামেরা ও গশ্বর দল মোতায়েন করবে। একই সঙ্গে, কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের সিড প্রদান করে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি সঠিকভাবে সমস্যার মোকাবিলা না করা হয় তবে কাশ্মীরের লাল সোনার ঐতিহ্য নষ্ট হয়ে যায় এবং দেশের রপ্তানি আয়েও বড়ো ক্ষতি হতে পারে। তাই, সময়মতো কার্যকরী নীতি ও কঠোর আইন প্রয়োগই একমাত্র সমাধান।

উপসংহারে, জাফরানের উৎপাদন বাড়ানো, চোরাচালান বন্ধ করা এবং কৃষকদের সুষ্ঠু সমর্থন নিশ্চিত করা একসাথে করা হলেই কাশ্মীরের ‘লাল সোনা’ আবারও উজ্জ্বল হবে এবং চোরাপথের ঝুঁকি দূর হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX