ISI‑এর নতুন বিল বিরোধে শিক্ষক‑শিক্ষার্থীর সমর্থনে তীব্র প্রতিবাদ, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার দাবি
education16 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ISI‑এর নতুন বিল বিরোধে শিক্ষক‑শিক্ষার্থীর সমর্থনে তীব্র প্রতিবাদ, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার দাবি

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ISI‑এর নতুন বিল নিয়ে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রের বিরোধ প্রকাশ করেছে, এবং অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার দাবি জানাচ্ছে। বিলের কঠোর শর্তগুলো গবেষণা স্বাধীনতা ও স্কলারশিপে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে।

কলকাতা — ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট (ISI)‑এর প্রস্তাবিত নতুন বিল নিয়ে কেন্দ্রের নীতি‑নির্ধারকদের বিরোধিতা বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা একত্রে গিয়ে বলছে, এই বিলটি গবেষণার স্বাধীনতা হ্রাস করবে, আর শূন্য‑শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সুবিধা কমিয়ে দেবে। শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য শিক্ষক দ্যুতি সেন বললেন, “বিলের ধারা‑ধারা আমাদের কাজের স্বায়ত্তশাসন নষ্ট করবে, ফলে গবেষণা‑প্রকল্পে বাধা আসবে।”

বিলের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে আছে নতুন ফি‑স্ট্রাকচার, গবেষণা তহবিলের পুনর্বণ্টন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের শর্ত কঠোর করা। গবেষক রাহুল গোপাল জানান, “যদি তহবিলের বণ্টন কেন্দ্রীয়ভাবে করা হয়, তবে আমাদের স্বয়ংক্রিয় প্রকল্প চালানো কঠিন হবে। এমন পরিস্থিতিতে উচ্চমানের গবেষণা করা সম্ভব নয়।” শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিও প্রকাশ্যে বললেন, “বিলের ফলে স্কলারশিপের পরিমাণ কমে গেলে গরিব পরিবারে পড়া ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার পথে বড় বাধা সৃষ্টি হবে।”

বিরোধী গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার দাবি জানাচ্ছে। শিক্ষক-গবেষক সমিতি রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে একটি টেবিল মিটিং চাচ্ছে, যেখানে সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত শোনার সুযোগ থাকবে। “অংশীদারদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা না করলে নীতি‑নির্মাণে ব্যর্থতা স্বাভাবিক,” দ্যুতি সেন আরও উল্লেখ করেন।

কেন্দ্রের দিক থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়নি, তবে সূত্র মতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় বিলের কিছু ধারা পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা দেখছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি সমন্বয় না হয়, তবে ISI‑এর গবেষণা পরিবেশে গভীর অসুবিধা দেখা দিতে পারে, যা দেশের পরিসংখ্যানগত গবেষণার গুণগত মানে প্রভাব ফেলবে।

উপসংহারে, ISI‑এর নতুন বিলের বিষয়টি এখনই দেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীর সমন্বিত প্রতিবাদ এবং অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান, নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি স্পষ্ট সংকেত যে, কোনও নীতি গৃহীত হলে তা বাস্তবায়নের আগে সকল স্টেকহোল্ডারকে যুক্ত করা প্রয়োজন। সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া নীতি‑নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি এড়ানো কঠিন।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX