
** আইএসএল‑এর চালনা ক্লাবের হাতে, ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মূল সিদ্ধান্ত ও টুর্নামেন্টের সূচনার সময় নির্ধারিত
মিনিটক্রীড়মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ক্লাবগুলোই আইএসএল পরিচালনা করবে, আর নতুন কাঠামোতে টুর্নামেন্টের সূচনা হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে। স্টেডিয়াম উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে লিগকে আন্তর্জাতিক মানে তোলার লক্ষ্য স্পষ্ট।
ক্লাবগুলোই আইএসএল (ইন্ডিয়ান সুপার লিগ) পরিচালনা করবে—এটাই ক্রীড়মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে গতকাল অনুষ্ঠিত গোপনীয় বৈঠকের প্রধান ঘোষণা। বৈঠকে ভারতের ফুটবল সমিতি (AIFF) ও প্রধান ক্লাবের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিরা একত্রে বসে লিগের আর্থিক মডেল, স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনা এবং মিডিয়া অধিকার নিয়ে বিশদ আলোচনা করে। ক্রীড়মন্ত্রীর মতে, ক্লাবের হাতে দায়িত্ব দিলে লিগে স্বচ্ছতা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা বাড়বে, যা টিকেট বিক্রয়, স্পনসরশিপ এবং টেলিভিশন চুক্তিতে সরাসরি সুবিধা দেবে।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নতুন কাঠামোতে প্রথম টুর্নামেন্টের সূচনা ১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে হবে, এবং তা পুরো দেশজুড়ে ২০টি স্টেডিয়ামে একসাথে চলবে। বিশেষ করে কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই ও গুজরাটের স্টেডিয়ামগুলোকে মূল হাব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে ম্যাচের উচ্চ দর্শকসংখ্যা ও মিডিয়া কভারেজ নিশ্চিত করা হবে।
লিগের নতুন কাঠামোতে ক্লাবগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ আর্থিক পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে, এবং প্রতি ম্যাচের নেট রেভিনিউ থেকে নির্দিষ্ট শতাংশ ফেডারেশন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে অবদান হিসেবে প্রদান করতে হবে। এই নীতি অনুসরণ করলে ভবিষ্যতে স্থানীয় ট্যালেন্টের বিকাশ ও গ্রামীণ ফুটবল শিবিরের জন্য অতিরিক্ত তহবিল সংগ্রহ সহজ হবে বলে আশা করা যায়।
অধিকন্তু, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তিনটি নতুন স্টেডিয়াম উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিল বরাদ্দ করেছে, যাতে আন্তর্জাতিক মানের টার্ফে ম্যাচের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা যায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় ফুটবলের মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের অবস্থান শক্তিশালী হবে।
উপসংহারে বলা যায়, ক্লাবের হাতে আইএসএল চালানোর এই সিদ্ধান্ত কেবল লিগের পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনবে না, বরং খেলোয়াড়, ভক্ত এবং বিনিয়োগকারীর জন্য একটি স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে তুলবে, যা দীর্ঘমেয়াদে ভারতীয় ফুটবলকে গ্লোবাল মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকিয়ে রাখবে।



