
** মেসিকাণ্ডে আরও বিপাকে অরূপ! মিলল না আদালতের রক্ষাকবচ, বাড়িতে তল্লাশি
মিনিটঅরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে হাইকোর্টের তল্লাশি, কোনো আদালতের রক্ষাকবচ না পেয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। তার আইনজীবীরা তল্লাশিকে অবৈধ বলে অভিযোগ তুলেছেন।
কলকাতা হাইকোর্টের দরজার বাইরে অরূপ বিশ্বাসের মুখে ভয়ে‑ভয়ে গুঞ্জন চলছে। রাজ্য‑রাজনীতিতে তার ওপর চাপের বেগ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালত থেকে কোনো আইনি রক্ষাকবচ পাওয়া যায়নি; বরং তার বাসভবনে তল্লাশি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার সকালেই হাইকোর্টের একদল অফিসার ও পুলিশ দল অরূপের বাসভবনে প্রবেশ করে সম্পত্তি, নথি এবং সম্ভাব্য ‘সাবেক’ প্রমাণ জোগাড়ের উদ্দেশ্যে তল্লাশি পরিচালনা করে। তল্লাশির সময় কোনো গ্রেফতার বা জামিনের ইঙ্গিত না পেয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন—এটা কি কেবল রাজনৈতিক চাপে চালিত এক নীরব সতর্কতা, নাকি অরূপের বিরুদ্ধে কোনো গোপন তদন্তের সূচনা?
অরূপের আইনজীবীরা দাবি করে যে, আদালতের কোনো নির্দেশনা ছাড়া তল্লাশি করা অবৈধ এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে। তবে হাইকোর্টের রেকর্ডে দেখা যায়, এই ধরণের তল্লাশি স্বাভাবিকভাবে ‘প্রশাসনিক আদেশ’ অথবা ‘অধিকৃত তথ্য সংগ্রহের’ ভিত্তিতে করা হয়, যা আদালতের অনুমোদন ছাড়া করা যায় না।
রাজ্য‑রাজনীতিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর অবস্থান ঝুঁকিতে থাকা এক মুহূর্তে, অরূপের দল বলছে, “অবৈধ দমন ও তল্লাশি বন্ধ না করা পর্যন্ত আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।” এই অবস্থা তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে কতটা প্রভাবিত করবে, তা এখনই দেখা বাকি।
পরিশেষে, তৎকালীন ঘটনাবলী থেকে স্পষ্ট যে, অরূপের উপর চাপ বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য হল তার রাজনৈতিক প্রভাব হ্রাস করা, তবে আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে এই ধরণের ‘বিপাক’ সমাজে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করবে।



