রক্ত পাচার অভিযোগে নড়ে উঠে স্বাস্থ্য দফতর, ৩ হাজার ইউনিটে হদিসের গুঞ্জন
স্বাস্থ্য2 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

রক্ত পাচার অভিযোগে নড়ে উঠে স্বাস্থ্য দফতর, ৩ হাজার ইউনিটে হদিসের গুঞ্জন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

রক্ত পাচার চক্রের সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য দফতর বিশাল অভিযান চালু করেছে, ৩,০০০ টিরও বেশি ইউনিটে হদিস পাওয়া গিয়েছে। তদুপরি, রক্তের গুণগত মান রক্ষার জন্য ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নিলামিত দিকের নড়েচড়ে কর্মে কলকাতা ও পাশের অঞ্চলগুলোতে রক্ত পাচার চক্রের সন্দেহে একাধিক অভিযান চালু হয়েছে। মঙ্গলবারই রক্তদান শিবির, হসপিটাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকের সাইডে গোপন চ্যানেল চিহ্নিত করে ৩,০০০ টিরও বেশি ইউনিটে হদিস পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকর্তারা জানিয়ে দিলেন, এই ইউনিটগুলোতে রক্তের নমুনা পরীক্ষা, সংরক্ষণ পাত্র এবং নথিপত্রের জালিয়াতি জড়িত থাকতে পারে।

অভিযান চলাকালীন স্বাস্থ্য কর্মী, রক্ত ব্যাংক কর্মী এবং কিছু স্বেচ্ছাসেবকের বাড়ি থেকে রক্তের প্যাকেজ ও নথিপত্র জব্দ করা হয়েছে। কিছু জায়গায় রক্তের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা, অন্যদিকে অনুপযুক্ত সংরক্ষণে রক্তের গুণগত মান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠে। এই সব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে স্বাস্থ্য দফতর জরুরি আদেশ জারি করে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে বন্ধ করে দিয়েছে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রক্ত পাচার বন্ধ করতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে এবং রক্তের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি চালু হবে। তদুপরি, রক্তদান শিবিরের স্বচ্ছতা বাড়াতে ডিজিটাল রেজিস্ট্রি চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রক্তের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্যই এই চক্রের মূল কারণ। রোগীর নিরাপত্তা রক্ষার জন্য রক্তের সঠিক ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিতরণে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

উপসংহারে বলা যায়, রক্ত পাচার বন্ধ করার জন্য একসাথে কাজ করা দরকার; না হলে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে এবং সমাজের বিশ্বাস ক্ষুন্ন হবে। সুতরাং, রক্তের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকারের ত্বরিত পদক্ষেপই হবে মূল সমাধান।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX