ইন্দ্রনীল সেনের ‘দুর্গাপুজো ব্যবসা’— ইউনেস্কোর নাম ভেঙে ৪‑৫ কোটি টাকা গায়েবের অভিযোগ
স্বাস্থ্য2 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

ইন্দ্রনীল সেনের ‘দুর্গাপুজো ব্যবসা’— ইউনেস্কোর নাম ভেঙে ৪‑৫ কোটি টাকা গায়েবের অভিযোগ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মিনিটপ্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ইউনেস্কোর নাম ভেঙে ‘দুর্গাপুজো ব্যবসা’ চালু করার অভিযোগে ৪‑৫ কোটি টাকা গায়েবের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। তদন্তের সঙ্গে সঙ্গে স্ক্যামটি নিবারণ ও সংশ্লিষ্টদের আইনি শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি বাড়ছে।

< 1 মিনিট

দুর্গাপুজোর উন্মাদনা যখন শহরে গুঞ্জন ছড়াচ্ছে, তখনই এক চমকপ্রদ স্ক্যামের আভাসে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের নাম উন্মোচিত হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, সেন ও তাঁর সহধর্মিনী অবৈধভাবে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিভিলেজড প্রি‑পুজো শো‑এর টিকিট বিক্রি করে শহরে ‘দুর্গাপুজো ব্যবসা’ চালু করে। এই কর্মকাণ্ডে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা গায়েবের অভিযোগ উঠে এসেছে, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজর কাড়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থা, যার অফিস হাজরা রোডে অবস্থিত, এই স্ক্যাম চালু করার মূল চালিকা শক্তি। এই সংস্থার অন্যতম কর্ণধার, উত্তর কলকাতার টালা পার্কের বিখ্যাত পুজো কর্ণধার, ঘটনাস্থলে সক্রিয় ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে টিকিট বিক্রি করা, তা স্বয়ংই একটি গৌরবহীন এবং অবৈধ কাজ, যা সংস্কৃতি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করে।

প্রতিবাদী দল ও সামাজিক গোষ্ঠী ইতিমধ্যে এই ব্যাপারে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি তুলেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এখনই তদন্ত শুরু করেছে, যাতে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া যায়। স্ক্যামটি যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে এটি শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, বরং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হানে।

উপসংহারে বলা যায়, দুর্গাপুজোর মাধুর্যকে যদি লুটের হাত থেকে রক্ষা করা না হয়, তবে শহরের সাংস্কৃতিক প্রবাহে গাঁটপাঁটির সৃষ্টি হবে। তাই, জনসাধারণের সচেতনতা এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা এই রকম স্ক্যামকে দমন করতে অপরিহার্য। ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য শীর্ষ পর্যায়ে তদারকি বাড়াতে হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX