
স্বরূপ বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে ‘গুপ্ত ঘর’ – কী রূপ নিলো গোপন কক্ষের গল্প
মিনিটস্বরূপ বিশ্বাসের কোলকাতা ফ্ল্যাটে অল্পদূরে গোপন ঘর আবিষ্কৃত হয়েছে, যেখানে পুরনো সামগ্রী এবং অস্বাভাবিক চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তদন্ত চলমান, এবং এই ঘটনা শহরের গোপন কক্ষের সংস্কৃতিতে নতুন আলো ফেলেছে।
রবিবার বিকেলে কোলকাতা শহরের পুরোনো পার্শ্ব‑বিকশে স্বরূপ বিশ্বাসের জেমিনি‑ফ্ল্যাটে একটি অপ্রত্যাশিত গোপন ঘর উদ্ঘাটিত হয়। প্রতিবেশীরা জানায়, ফ্ল্যাটের মালিকের বাড়ি বদলানোর সময় অদ্ভুত গন্ধ ও অস্বাভাবিক শব্দ শোনা গিয়েছিল, ফলে তারা ছাদের নিচের সিলিং ঘষে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষে, গৃহসজ্জা কর্ণার থেকে একটি লুকানো দরজা বেরিয়ে আসে, যার পিছনে একটি ছোট, বায়ু-সঞ্চালিত কক্ষ অবস্থিত, যা আগে কখনও কেউ দেখেনি।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এই গোপন ঘরটি প্রায় দশ বছর পুরনো, এবং সেখানে কয়েকটি পুরনো চিত্রকর্ম, ধুলো‑ধরা ফার্নিচার এবং একটি লোহার বক্স রাখা আছে। পুলিশ সূত্রে জানায়, ঐ বক্সে কিছু অমূল্য গহনা ও রেকর্ডেড ডিভিডি পাওয়া গিয়েছে, যা সম্ভবত মালিকের ব্যক্তিগত সংগ্রহ হতে পারে। তবে, কক্ষের তলায় লুকানো ড্রায়ার থেকে অল্প পরিমাণে অ্যান্টি‑ড্রাগের চিহ্নও সনাক্ত করা যায়, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে।
স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গোপন ঘরের উদ্দেশ্য ও ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। স্বরূপ বিশ্বাসের পরিবার এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি, তবে প্রতিবেশীরা জানান, তিনি বেশ গোপনীয় স্বভাবের মানুষ, তাই এ ধরণের গোপন গঠন তার স্বাভাবিক কাজের অংশ হতে পারে।
এ ঘটনা কোলকাতার পুরাতন বাড়ি ও ফ্ল্যাটে লুকানো কক্ষের প্রবণতা পুনরায় উন্মোচন করেছে, যেখানে গোপন ড্রায়ার, সিকিউরিটি রুম বা গোপন গুদাম প্রায়ই অজানা উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, গোপন ঘরগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি, অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা এবং আইনি জটিলতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই বাড়ি মালিকদের সঠিক অনুমোদন ছাড়া এমন গোপন কাঠামো গড়ে তোলা উচিত নয়।
উপসংহারে বলা যায়, স্বরূপ বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে গোপন ঘরের আবিষ্কার কেবল এক ব্যক্তিগত রহস্য নয়, বরং শহরের পুরাতন বাসস্থান সংস্কৃতির নতুন দিক উন্মোচন করেছে। তদুপরি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্রুত পদক্ষেপ এবং জনসাধারণের সজাগ দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতে অনধিকারিক গোপন কাঠামোর অপব্যবহার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



