
হাইকমিশনারের দায়িত্বে প্রথমবার বাংলাদেশে পা রাখলেন দীনেশ ত্রিবেদি
দীনেশ ত্রিবেদি শ্রীবন্দার বেনাপোল‑পেট্রাপোল বন্দর থেকে বাংলাদেশে প্রথম পদার্পণ করে হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তার অভিজ্ঞতা ও নীতি-নির্দেশনা দুই দেশের বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন স্তরে নিয়ে যাবে বলে আশাব্যক্তি।
শুক্রবার সকালের সূর্যালোকে বেনাপোল‑পেট্রাপোল স্থলবন্দর থেকে ভারতীয় নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদি বাংলাদেশে প্রথম পদার্পণ করেন। দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা চিহ্নিত করে তিনি গেট‑ইনিং সেলাইব্রেশন‑এর সঙ্গে সঙ্গে শোভাযাত্রা‑এর পরম্পরা বজায় রাখেন।
দীনেশ ত্রিবেদি, যিনি পূর্বে ভারতের ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রণালয়ের স্বনামধন্য কর্মকর্তা, এবং কংগ্রেস‑এর অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে বহুবার দেশীয়‑বিদেশী মঞ্চে আলোড়ন তুলেছেন, এবার হাইকমিশনারের দায়িত্বে আসছেন। তার ক্যারিয়ারকে ঘিরে বিশাল অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে বাণিজ্য‑সেবা ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রের গভীর জ্ঞান, বাংলাদেশ‑ভারত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
বন্দর থেকে বেরিয়ে গাড়িতে চড়ে ঢাকার পথে অগ্রসর হওয়ার সময় ত্রিবেদি গৌরবময় গৃহমুখী ভ্রমণের স্বাগতম জানিয়ে, “দুই দেশের বন্ধুত্বের সেতুকে আরও মজবুত করতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ” বলেন। দু’দেশের কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো এই মুহূর্তে সক্রিয়, এবং দু'দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ দ্রুতই নির্ধারিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্রিবেদির আগমন বাণিজ্যিক আদান‑প্রদান বাড়াতে, শিক্ষার্থী ও পর্যটক ভ্রমণ সহজ করতে, এবং সীমান্ত পারাপার সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপত্তা ও প্রতিবেশী সম্পর্কের মতো জটিল বিষয়েও তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপসংহারে বলা যায়, দীনেশ ত্রিবেদি হাইকমিশনারের দায়িত্বে প্রথমবার বাংলাদেশে পা রাখার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে তিনি যে কূটনৈতিক সেতু গড়ে তুলবেন, তা বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দু'দেশের সমন্বিত উন্নয়নের মূখ্য চালিকাশক্তি হবে।




