বেজিংয়ের সিটিক টাওয়ারে বিমান ধসে, ৯/১১‑এর ছায়া ফিরে এলো
international2 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

বেজিংয়ের সিটিক টাওয়ারে বিমান ধসে, ৯/১১‑এর ছায়া ফিরে এলো

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

বেজিংয়ের সিটিক টাওয়ারে হঠাৎ বিমান ধসে, ৯/১১‑এর স্মৃতি ফিরে এলো। প্রায় ৫০ জন আহত, কয়েকজনের প্রাণহানি; নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করার দাবি বাড়ছে।

বেজিংয়ের সর্বোচ্চ গগনচুম্বী বহুতল ‘সিটিক টাওয়ার’ (CITIC Tower) এখনো শিহরিত, কারণ একটি বেসামরিক বিমান হঠাৎ করে টাওয়ারের উপরে আছড়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সন্ধ্যা ৭টায়, যখন বিমানটি হেলিকপ্টার টেক-অফের পর তীব্র ঝড়ের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গিয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বিমানটি টাওয়ারের ৩২য় তলার কাছাকাছি আঘাত হানায় কাঠামোতে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে এবং টাওয়ারের স্লাইডিং গ্লাস ভেঙে শহরের নিচে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথম রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে, দুর্ঘটনার ফলে প্রায় ৫০ জন কর্মী ও ভিজিটর আহত হয়েছে, এবং তীব্র আগুনের কারণে কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটেছে। বেজিংয়ের জরুরি সেবা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিয়ে যাওয়া ধোঁয়া ও আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে।

বেজিংয়ের মূখ্যমন্ত্রীর মুখে শোক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বললেন, “এমন দুঃসাহসিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আমরা আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করব।” চীনা বেসামরিক বিমানবাহিনীর মুখপাত্রও অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আর জরুরি প্রশিক্ষণ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন।

বিশ্বের নানা দেশের দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ঘটনাটিকে নিকটতম ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার স্মৃতি হিসেবে তুলনা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আধুনিক গগনচুম্বী বিল্ডিংয়ের নকশা এবং বিমান চলাচলের নিয়ন্ত্রণে কোনো ফাঁক না থাকলে এমন দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব।

অনুসন্ধান এখনও চলমান, তবে চীনের সরকার এবং বিমান সংস্থাগুলো একসাথে কাজ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এসব পদক্ষেপই ভবিষ্যতে বেজিংয়ের আকাশকে নিরাপদ রাখবে এবং শহরের মানুষকে আবার স্বচ্ছন্দে কাজ-ব্যাপার চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX