
ভারতের আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইরানের ‘মাজিদ’ ব্যবস্থা নিয়ে আর্মেনিয়া দেখাল শক্তিশালী সামরিক চিত্র
আর্মেনিয়া ভারতের আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইরানের ‘মাজিদ’ ব্যবস্থা ব্যবহার করে বড় প্রতিরক্ষামূলক ব্যায়াম চালিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে, তবে এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার আলোচনায় নতুন দিক যোগ করেছে।
আজারবাইজানের সঙ্গে উত্তেজনা তীব্র হয়ে থাকা মুহূর্তে আর্মেনিয়া একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেছে। এই ব্যায়ামে দেশটি সম্প্রতি অর্জিত বিদেশি অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে অবিশ্বাস্য মাত্রার সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। বিশেষত, ভারতের উন্নত আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র (এয়ার‑টো‑সারফেস মিসাইল) এবং ইরানের ‘মাজিদ’ রাডার‑ভিত্তিক বিরোধী বিমান ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা প্রশিক্ষণের পরিসরকে আন্তর্জাতিক মাত্রায় তুলে ধরেছে।
প্রশিক্ষণটি আর্মেনিয়ার রাজধানী জেরেভানের নিকটবর্তী সীমান্তভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শতাধিক সৈন্য, ট্যাঙ্ক ও যুদ্ধবিমান অংশগ্রহণ করেছে। ভারত থেকে আগত মিসাইলগুলো লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হিট করতে সক্ষমতা দেখিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সাথে, ‘মাজিদ’ ব্যবস্থা আকাশে উড়ন্ত কোনো হুমকি সনাক্ত করে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে, যা আর্মেনিয়ার আকাশসীমা রক্ষা করার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই পদক্ষেপটি আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান সীমানা বিরোধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। দুই দেশই এই ধরনের বড় চিত্রের প্রশিক্ষণকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে দেখছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশ্লেষকরা সতর্কতা জানান যে, এমন ধরনের সামরিক প্রদর্শনী অঞ্চলীয় নিরাপত্তা ব্যাহত করে আরও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
উপসংহারে বলা যায়, আর্মেনিয়া ভারত ও ইরানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়িয়ে তুলেছে, যা সীমান্তে চলমান উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এই ধরনের প্রশিক্ষণ আঞ্চলিক সমঝোতার পথে নতুন আলো জ্বালাতে পারে, যদি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে পায়।




