ভারত‑থাইল্যান্ডের যৌথ মহড়া ‘মৈত্রী’ শুরু, সামরিক বন্ধন দৃঢ়
international1 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ভারত‑থাইল্যান্ডের যৌথ মহড়া ‘মৈত্রী’ শুরু, সামরিক বন্ধন দৃঢ়

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ভারত ও থাইল্যান্ডের সামরিক সহযোগিতা ‘মৈত্রী’ মহড়া দিয়ে নতুন মাত্রা পায়, দুই দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বন্ধন দৃঢ় হতে চলেছে।

নয়াদিল্লি‑থাইল্যান্ডের সামরিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পায়; আজই ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক দলে ‘মৈত্রী’ মহড়ার লক্ষ্যবস্তু থাইল্যান্ডের দিকে রওনা দেওয়া হয়েছে। এই মহড়া দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণকারী সেনা বাহিনী, বিমান, নৌবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট একসঙ্গে প্রশিক্ষণ করবে, যাতে সমন্বিত অপারেশন, লজিস্টিক সমর্থন এবং সাইবার নিরাপত্তা ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ভাগ‑বিনিময় করা যায়।

মহড়ার প্রথম পর্যায়ে ভূ‑সামরিক কৌশল, সমুদ্র‑সীমান্ত রক্ষা এবং বিমান‑আলাপচারিতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। থাইল্যান্ডের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই প্রশিক্ষণ দুই দেশের সৈন্যদের পারস্পরিক বিশ্বাস বাড়াবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। পূর্বে অনুষ্ঠিত ‘মৈত্রী’ মহড়া ইতিমধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বিত নৌবাহিনীর কার্যক্রমে সাফল্য এনে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত‑থাইল্যান্ডের এই অগ্রগতি চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিক্রিয়ায় একটি কূটনৈতিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ। মহড়া শেষ হলে উভয় পক্ষের মধ্যে আরও যৌথ গ্যাজেট ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা করা হবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। সামরিক সহযোগিতার এই নতুন অধ্যায়ে দুই দেশের নেতৃত্বের অঙ্গীকার স্পষ্ট, এবং ভবিষ্যতে আরও দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে বিস্তৃত মহড়া চালু করা হতে পারে।

সর্বশেষে, ‘মৈত্রী’ মহড়া কেবল সামরিক শৈলীই নয়, দু’দেশের জনসাধারণের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু গড়ে তুলবে। এই ধরনের উদ্যোগে নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা একত্রে বৃদ্ধি পাবে, যা ভারতের পূর্বোত্তর অঞ্চলে এবং থাইল্যান্ডের দক্ষিণ‑পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX