
কাশ্মীর এনকাউন্টার: চার দিনের তীব্র অভিযানের পর লস্কর‑ই‑তাইবা কমান্ডার জাকির গনাই নিহত
শ্রীনগরে জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানে চার দিনের তীব্র অভিযানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী লস্কর‑ই‑তাইবা কমান্ডার জাকির গনাইকে গুলিবর্ষণে নিহত করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে বলা হচ্ছে, গনাইয়ের মৃত্যুর ফলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাঠামোতে বড় ধাক্কা লেগেছে।
শ্রীনগরে জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানের গহীন জঙ্গলে চার দিনব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে। বুধবার গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, সংযুক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর দল দেরি না করে অপারেশন চালু করে, শেষ পর্যন্ত লস্কর‑ই‑তাইবা (LeT) গোষ্ঠীর উচ্চপদস্থ কমান্ডার জাকির গনাইকে গুলিবর্ষণে নিহত করে।
অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর দল জঙ্গলের কঠিন ভূখণ্ডে তীব্র গুলিবর্ষণ, তীক্ষ্ণ গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয় গোষ্ঠীর সহযোগিতা ব্যবহার করে গনাইকে তাড়া করে। গনাইকে গুলিতে গুলি হোঁচট খাওয়ানোর পর, তার দেহকে নিরাপত্তা বাহিনীর দল দ্রুত সংগ্রহ করে, পরবর্তীতে তাকে গোপন স্থানীয় স্টেশন থেকে পুনঃনির্দেশনা করে গৃহযুদ্ধের প্রতিবন্ধকতা দূর করার পদক্ষেপ নেয়।
অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর দল কোনো নাগরিক ক্ষতি না করে, সব ধরনের নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে কাজ করেছে। সোপিয়ান অঞ্চল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর দল জানায়, গনাইয়ের মৃত্যুর ফলে লস্কর‑ই‑তাইবায় গোপন কাঠামোতে বড় ধাক্কা লেগেছে এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে তীব্র ঘাটতি দেখা যাবে।
মুয়াম্মদ সিদ্দিক, সদর দফতরের মুখ্য স্পিকার, জানিয়েছেন, “এই সফলতা আমাদের সন্ত্রাসবিরুদ্ধ সংগ্রামের নতুন মাইলফলক। আমরা সোপিয়ান, গুল্মার ও অন্যান্য সংবেদনশীল এলাকায় একই রকম দৃঢ় পদক্ষেপ চালিয়ে যাব।” তিনি আরো যোগ করেন, “সর্বজনীন নিরাপত্তা বজায় রাখতে, আমরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে চলব।”
পরিশেষে, নিরাপত্তা বাহিনীর এই সাফল্যকে দেশের সীমানা রক্ষার সংকল্পের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, লস্কর‑ই‑তাইবা গোষ্ঠীর নেতৃত্বে বড় শূন্যতা সৃষ্টি হওয়ায়, আগামীতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর গঠন ও পরিকল্পনায় গুরুতর বাধা আসবে, যা দেশের নিরাপত্তা জায়গা আরও মজবুত করবে।




