নিরাপত্তা শক্তিশালী! অমিত শাহের নির্দেশে বিমানবন্দরে স্বয়ংক্রিয় এক্স‑রে ট্রে রিটার্ন সিস্টেম চালু
national1 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

নিরাপত্তা শক্তিশালী! অমিত শাহের নির্দেশে বিমানবন্দরে স্বয়ংক্রিয় এক্স‑রে ট্রে রিটার্ন সিস্টেম চালু

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

স্বয়ংক্রিয় এক্স‑রে ট্রে রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে ৬২টি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বড় পরিবর্তন দেখবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে চেক‑ইন প্রক্রিয়া দ্রুততর ও নিরাপদ হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নতুন নির্দেশে দেশের ৬২টি প্রধান বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ওভারহল শুরু হবে। এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য হ'ল যাত্রী ও মালামালের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা এবং চেক‑ইন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা। বিশেষ করে শীর্ষ পর্যায়ের বিমানবন্দরে স্বয়ংক্রিয় এক্স‑রে ট্রে রিটার্ন সিস্টেম (X‑Ray Tray Return System) স্থাপন করা হবে, যাতে স্ক্যান করা ট্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোল‑ব্যাক হয়ে পুনরায় ব্যবহারে আসতে পারে।

প্রযুক্তি গৃহীত সিস্টেমটি আন্তর্জাতিক মানের এবং ইতিমধ্যে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বড় বিমানবন্দরে সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। সিস্টেমটি ট্রে গুলিকে একবার স্ক্যানের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিট্রিভ করে, ফলে কর্মীদের হাতে গুলোকে নিক্ষেপ করে পুনরায় সাজানোর প্রয়োজন হ্রাস পায়। ফলে চেক‑ইন লাইনের অপেক্ষা সময় কমে, যাত্রীদের নিরাপত্তা স্ক্রিনিংয়ে কোনো ত্রুটি না থাকায় নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত হয়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, এই নতুন ব্যবস্থা চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশিক্ষণে আধুনিক রেডার, সফটওয়্যার অপারেশন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রশিক্ষণের পরই সিস্টেমটি পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করবে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।

শহরের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্বয়ংক্রিয় ট্রে রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে মানবিক ত্রুটি কমে যাবে এবং স্ক্যানিংয়ের গুণগত মান উন্নত হবে। একই সঙ্গে, সিস্টেমের ডেটা বিশ্লেষণ ক্ষমতা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য হুমকি সনাক্তকরণের ভিত্তি হিসেবেও কাজ করবে। এভাবে দেশের বিমানবন্দরগুলো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডে আরও এগিয়ে যাবে।

অমিত শাহের এই উদ্যোগের ফলে এক বছরের মধ্যে সমগ্র বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য রূপায়িত হবে। সরকার যদি পরিকল্পনা মতো অগ্রসর হয়, তবে দেশের ভ্রমণ শিল্পে আস্থা বাড়বে এবং বিদেশি পর্যটক ও ব্যবসা সংস্থার আগমন সহজ হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়ে যাত্রীরা নিশ্চিন্তে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে, আর বিমানবন্দরগুলোও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে অগ্রণী হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX