১,০০০ কিমি পাল্লার দেশীয় ‘ওয়ান-ওয়ে’ ড্রোন সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু, সেনাকে সরবরাহ করবে ভারতীয় কোম্পানিগুলো
national12 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

১,০০০ কিমি পাল্লার দেশীয় ‘ওয়ান-ওয়ে’ ড্রোন সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু, সেনাকে সরবরাহ করবে ভারতীয় কোম্পানিগুলো

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

সেনাবাহিনী ১,০০০ কিমি রেঞ্জের দেশীয় ‘ওয়ান-ওয়ে’ ড্রোন সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যা সীমান্ত রক্ষায় দ্রুত শুতিকরণ ক্ষমতা দেবে এবং রক্ষা শিল্পের স্বনির্ভরতা বাড়াবে।

সেনাবাহিনী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (এক‑মুখী আক্রমণকারী ড্রোন) সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চালু করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল সীমান্ত রক্ষায় দ্রুত ও নির্ভুল শুতিকরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যাতে শত্রুর অবাসে সরাসরি আক্রমণ করা যায়। সংগ্রহের জন্য শিল্পখাতের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যেখানে ড্রোনের রেঞ্জ, পেইলোড ক্ষমতা এবং রিয়েল‑টাইম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্পেসিফিকেশন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবের প্রাপক তালিকায় ভারতীয় বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য রক্ষা শিল্প সংস্থা অন্তর্ভুক্ত, যাদের মধ্যে কিছু ইতিমধ্যে উচ্চ‑সুনির্দিষ্ট ড্রোন প্রযুক্তিতে কাজ করছিল। সরকার এই সংস্থাগুলোকে ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জের ড্রোন সরবরাহে অগ্রাধিকার দেবে এবং প্রয়োজনীয় তহবিলের স্বীকৃতি দেবে।

ড্রোনের পেইলোডে ছোট মিসাইল বা বিস্ফোরক গুলি যুক্ত করা যাবে, যা শত্রু সৈন্যবাহিনীর ঘাঁটি, গড়ি‑গার্ড ও ট্যাঙ্কের উপর সুনির্দিষ্ট আঘাত হানতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি বিশেষ করে উত্তর‑পূর্ব সীমান্তে চলমান উত্তেজনা কমাতে এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশীয় ড্রোনের ব্যবহার আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা বাড়াবে। পাশাপাশি, স্থানীয় উৎপাদন শৃঙ্খলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং রপ্তানি সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। তবে, ড্রোনের নৈতিক ব্যবহার ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব পাবে।

অতএব, সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ কেবল সীমান্ত রক্ষার ক্ষমতা বাড়াবে না, বরং দেশীয় রক্ষা শিল্পের স্বনির্ভরতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত করবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX