পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের পর এবার ‘যুদ্ধ অভ্যাস’ মহড়ায় দাপট ভারতের, সক্ষমতা দেখাল ‘স্কাইস্ট্রাইকার’
national7 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের পর এবার ‘যুদ্ধ অভ্যাস’ মহড়ায় দাপট ভারতের, সক্ষমতা দেখাল ‘স্কাইস্ট্রাইকার’

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’-এ নিজেদের সক্ষমতা দেখাল ভারতের ‘স্কাইস্ট্রাইকার’ লোইটারিং মিউনিশন। মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে এই অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির নিখুঁত লক্ষ্যভেদ নজর কেড়েছে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

সীমান্তে শত্রুদেশের জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এবার রণকৌশলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারতীয় সেনা। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’-এর মঞ্চে নিজেদের বিধ্বংসী ক্ষমতা প্রদর্শন করল ভারতের অত্যাধুনিক লোইটারিং মিউনিশন ‘স্কাইস্ট্রাইকার’ (SkyStriker)। বর্তমানে মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে এই মহড়া চলছে, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে শত্রুপক্ষকে কীভাবে নিঁমিষে খতম করা যায়, তা হাতে-কলমে দেখানো হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কাইস্ট্রাইকার আসলে এক ধরণের ‘কামিকাজে ড্রোন’, যা আকাশে দীর্ঘক্ষণ ভেসে থেকে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে পারে এবং সঠিক সময়ে নির্ভুলভাবে আঘাত হেনে তা ধ্বংস করে দেয়। এই ড্রোনটির বিশেষত্ব হলো এর নজরদারি ক্ষমতা এবং আক্রমণাত্মক গতি। মহড়ার during এই অস্ত্রটির নিখুঁত লক্ষ্যভেদ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন উপস্থিত সামরিক আধিকারিকরা। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় লুকিয়ে থাকা শত্রুদের খুঁজে বের করে খতম করার ক্ষেত্রে এটি গেম-চেঞ্জার হতে পারে।

ভারত ও আমেরিকার এই যৌথ মহড়া কেবল অস্ত্র প্রদর্শনী নয়, বরং দুই দেশের সামরিক সম্পর্কের গভীরতা এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের একটি বড় প্রমাণ। এই মহড়ার মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারি এবং স্থলপথে দ্রুত আক্রমণের কৌশলগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে উত্তপ্ত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় সেনা তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে এই ধরণের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি ঘটাচ্ছে, যা যুদ্ধের ময়দানে মানবিক ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে শত্রুর ক্ষয়ক্ষতি বাড়াবে।

সামগ্রিকভাবে, স্কাইস্ট্রাইকারের এই সফল পরীক্ষা ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল। একদিকে যেমন সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার হচ্ছে, অন্যদিকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ভারতকে দক্ষিণ এশিয়ায় সামরিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী করে তুলল। এই মহড়ার সাফল্যের পর এখন প্রত্যাশা, খুব শীঘ্রই এই প্রযুক্তির আরও উন্নত সংস্করণ ভারতীয় সেনার হাতে পৌঁছাবে, যা জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX