
এবার ‘বেসুরো’ অভিষেকের ‘সেনাপতি’ সায়নী! শতাব্দী‑শুভেন্দুর চা‑চক্রে তীব্র জল্পনা
মিনিটতৃণমূল কংগ্রেসের ‘অপারেশন লোটাস’ এখন নতুন তেজে ঢুকে পড়েছে, যেখানে অভিষেক বানার্জীর ‘সেনাপতি সায়নী’ ভূমিকা কেন্দ্রীয়। শাতাব্দী‑শুভেন্দুর চা‑চক্রে গড়ে ওঠা কৌশলিক সমঝোতা রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে বদলাতে পারে।
বিধানসভার পরিষদীয় দলের জয় পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের পার্লামেন্টারি শাখা ‘অপারেশন লোটাস’ নামে একটি আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা চালু করেছে, যা কলকাতায় রাজনৈতিক বাতাসে এক নতুন ঝাঁকুনি নিয়ে এসেছে। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপের পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো টিএমসি‑এর অধিকারে থাকা হোল সিটগুলোকে কৌশলগত ভাবে হস্তান্তর করা, যাতে কেন্দ্রীয় ক্ষমতা পুনরায় গঠন করা যায়।
‘অপারেশন লোটাস’ নামটি প্রথমবার উন্মোচিত হয়েছিল ২০১৯‑এর নির্বাচনী পরপর, কিন্তু এবার তৃণমূলের উচ্চপদস্থ নেতারা একে অপ্রতিরোধ্য গতি দিয়ে এগিয়ে নিতে চাচ্ছেন। সাংসদদের মধ্যে গোপন সমঝোতা, চুক্তি পত্র এবং ভোটের বদলে অর্থের বিনিময়—এগুলোই এখন কংগ্রেসের কৌশলগত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গৃহস্থালি চা‑চক্রে শাতাব্দী‑শুভেন্দুর আলোচনা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।
অভিষেক বানার্জী, যাকে ‘বেসুরো’ বলে ডাকতে কেউ দ্বিধা করে না, এখন ‘সেনাপতি সায়নী’ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করছেন। তার হাতে থাকা নেটওয়ার্ক, মিডিয়া ম্যানিপুলেশন এবং ঘনিষ্ঠ মিত্রদের সমন্বয় তার কৌশলকে শক্তিশালী করেছে। চা‑চক্রে তিনি শাতাব্দী‑শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন চুক্তি রচনা করে টিএমসি‑এর দুর্বল পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করেছেন, যা পরবর্তীতে ভোটে রূপান্তরিত হবে।
এভাবে তৃণমূলের ‘অপারেশন লোটাস’ শুধু একটি রাজনৈতিক চাল নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী জল্পনা, যা কলকাতা ও দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে পুনর্গঠন ঘটাতে পারে। যদিও এখনো ফলাফল নির্ধারিত হয়নি, তবে স্পষ্ট যে এই গতি যদি সফল হয়, তবে টিএমসি‑এর একক আধিপত্যের সময় শেষ হতে পারে এবং কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবন শুরু হতে পারে।




