
দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরছেন অভিষেক; আজ সন্ধ্যায় ভবানী ভবনে উপস্থিতি নিশ্চিত?
দিল্লি ত্যাগের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছাবেন এবং ভবানী ভবনে সমাবেশে হাজিরা দেবেন। হাইকোর্টের নির্দেশে জিরো আওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হবে, যা তার রাজনৈতিক ও আইনি দায়িত্বকে প্রকাশ করে।
দিল্লি ত্যাগের পর প্রথমবারের মতো তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতা ফেরার খবর শহরের রাজনীতিক ও সাংবাদিকদের মনোযোগে। কলকাতা হাইকোর্টের জালিয়াতি মামলায় কঠোর নির্দেশের পর রপ্ত হাওয়ায়, তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরেই দিল্লি থেকে রওনা দিয়ে ট্রেনে নিলেন, আর সন্ধ্যায় দমদম বিমানবন্দরে অবতরণ করতে নির্ধারিত। বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়ে তিনি সরাসরি রেডি-হাউসের দিকে রওনা দেন, যেখানে তার জন্য জিরো আওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হবে।
হাইকোর্টের আদেশ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই অভিষেককে কলকাতায় উপস্থিত হতে হবে, নতুবা আদালতের অতিরিক্ত শর্ত আরোপিত হবে। তাই রাজনৈতিক শিবিরগুলো ইতিমধ্যে প্রস্তুত, এবং ভবানী ভবনের দরজা খুলে রাখবে, যেখানে তিনি আজই একটি সমাবেশে উপস্থিতি দেবেন বলে শপথ নেয়া হয়েছে। সমাবেশে তৃণমূলের নেতারা, মিডিয়া পার্টি সদস্য এবং কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা একত্রিত হবে।
অভিষেকের এই সফরকে তৃণমূলের ভেতরে একটি নতুন প্রেরণার সঞ্চার হিসেবে দেখা হচ্ছে। গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে তিনি “সামাজিক ন্যায়বিচার, দুর্নীতি-মুক্ত রাজনীতি এবং নাগরিক অধিকার রক্ষার” উদ্দেশ্যে তুলে ধরতে চান। তার উপস্থিতি বিশেষ করে তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে উৎসাহ জাগাবে, বলে বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, দিল্লিতে চলমান জালিয়াতি মামলায় তার ভূমিকা নিয়ে এখনও বহু প্রশ্ন রয়ে গেছে। আদালত তার দায়িত্ব পালনের জন্য কঠোর শর্ত আরোপ করেছে, এবং কোনো অমান্য হলে শাস্তি বাড়বে। তাই অভিষেকের এই দ্রুত কলকাতা ফেরার পেছনে শুধুই রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, আইনি বাধ্যবাধকতা এবং জনমতের দায়িত্বও রয়েছে।
সারসংক্ষেপে, আজ সন্ধ্যায় ভবানী ভবনে অভিষেকের উপস্থিতি শুধু একটি সমাবেশ নয়; এটি রাজনৈতিক দৃঢ়তা, আইনি আনুগত্য এবং তৃণমূলের নতুন দিকনির্দেশনার প্রতীক। তার উপস্থিতি নিশ্চিত হলে, তৃণমূলের শক্তি পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এগিয়ে যাবে।




