বিধানসভায় নতুন বিধায়কদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ, স্পিকার উন্মোচন করলেন ডিজিটাল রূপান্তরের পথ
রাজনীতিএইমাত্র১ মিনিট পড়ুন

বিধানসভায় নতুন বিধায়কদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ, স্পিকার উন্মোচন করলেন ডিজিটাল রূপান্তরের পথ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

স্পিকার জানিয়ে দিলেন নতুন বিধায়কদের জন্য উচ্চমানের প্রশিক্ষণ চালু, যাতে তারা ডিজিটাল বিধানসভা ও স্বচ্ছ শাসনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনক্লেভের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে প্রেরণা নিয়ে রূপান্তরের পথ চলবে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকার আজ একটি বিশেষ সেমিনারে জানিয়ে দিলেন, নতুনভাবে নির্বাচিত বিধায়কদের জন্য তৎক্ষণাত চালু করা হবে উচ্চমানের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, যাতে তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বচ্ছ শাসনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনক্লেভে পশ্চিমবঙ্গের সক্রিয় উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে, যা এখনো বিধানসভা সংস্কারের প্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

স্পিকারের মতে, এখন সময় এসেছে বিধানসভাকে সম্পূর্ণ “ই-বিধানসভা”র রূপে গড়ে তুলতে, যেখানে সব কাজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হবে এবং তথ্যের স্বচ্ছতা বাড়বে। এ উদ্দেশ্যে আইটি সিস্টেমের আপগ্রেড, অনলাইন ভোটিং, এবং রিয়েল‑টাইম ডেটা শেয়ারিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে নাগরিকের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন সহজ হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আইটি টুলসের ব্যবহার, আইনগত বিশ্লেষণ, জনসেবায় নৈতিকতা, এবং মিডিয়া হ্যান্ডলিংয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক ও নীতিনির্ধারকরা নতুন বিধায়কদের হাতে কলমে শিক্ষা দেবেন, যাতে তারা সভা কক্ষের বাইরে থেকেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

অবশেষে স্পিকার জোর দিয়ে বলেছেন, এই পদক্ষেপগুলো না শুধুমাত্র বিধানসভার কার্যকারিতা বাড়াবে, বরং জনমুখী শাসনকে সুদৃঢ় করবে, যা শেষ পর্যন্ত ভোটারদের আস্থা পুনর্স্থাপন করবে। এ ধরনের রূপান্তরই ভবিষ্যৎ ক্যালেন্ডারে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক দৃশ্যকে আরও আধুনিক ও প্রগতিশীল করে তুলবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX