
বিধানসভায় নতুন বিধায়কদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ, জানালেন স্পিকার
বিধানসভার স্পিকার রা. শিবসুন্দর দাস জানিয়েছেন, নতুন বিধায়কদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিধানসদকে আরও জনমুখী এবং দক্ষ করা হবে।
বর্ধিত প্রযুক্তি নির্ভর এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নতুন বিধায়কদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে, তা বিধানসভার স্পিকার রা. শিবসুন্দর দাস আজ প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। এই প্রশিক্ষণে আইনগত জ্ঞান, ডিজিটাল টুলস ব্যবহার এবং জনসাধারণের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যাতে নবীন আইনপ্রণেতারা দ্রুতই সংসদীয় কাজের রূপে মানিয়ে নিতে পারেন।
প্রশিক্ষণটি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে অভিজ্ঞ বিধানসদস্য, আইনি বিশারদ ও আইটি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা থাকবে। অংশগ্রহণকারীরা অনলাইন সেমিনার, কর্মশালা এবং বাস্তবিক সিমুলেশন সেশনের মাধ্যমে শাসন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। স্পিকার উল্লেখ করেন, “প্রযুক্তি-সচেতন নেতৃত্বই আজকের রাজনৈতিক পরিবেশে অপরিহার্য, আর এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিধানসভার কাজকে আরও জনমুখী ও দক্ষ করে তুলতে চাই।”
প্রশিক্ষণের আরেকটি মূল লক্ষ্য হলো বিধানসদে স্বচ্ছতা বাড়ানো। তাই প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে পাবলিক রেকর্ডসের ডিজিটাল অ্যাক্সেস, তথ্যের সঠিক উপস্থাপনা এবং নীতি-নির্ধারণে জনমত সংগ্রহের পদ্ধতি শেখানো হবে। এতে করে নাগরিকরা আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে এবং তাদের প্রত্যাশা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।
উপসংহারে স্পিকার বলেছেন, “এই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম আমাদের বিধানসদকে আধুনিক সময়ের চ্যালেঞ্জের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করবে এবং জনগণের আস্থা পুনর্নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বললেন, আসন্ন নির্বাচনের পর নতুন বিধায়করা এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে রাজ্যের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।




