
সি.এম. শুভেন্দু অধিকারী টেবিলে ফাইল জমলেই “অ্যাকশন”— সল্টলেকের ‘পাঠশালায়’ নতুন মন্ত্রীদের হাতে‑হাতে প্রশিক্ষণ
সল্টলেকের ‘ATI বিল্ডিং’‑এ মুখ্যসচিবের তত্ত্বাবধানে নতুন মন্ত্রীদের ফাইল-নোটেশন ও ক্যারি‑ফরোয়ার্ডের হ্যান্ড‑অন প্রশিক্ষণ দিল, যাতে দ্রুত ও সঠিক অ্যাকশন নিশ্চিত হয়।
বৃহস্পতিবার, দিল্লি-নিউ দিল্লি সড়কের পাশে অবস্থিত সল্টলেকের ‘ATI বিল্ডিং’‑এ এক অনন্য প্রশিক্ষণ সেশনের সূচনা হয়। রাজ্য সরকারের নতুন মন্ত্রী সমবেত হয়ে টেবিলে ফাইল জমলেই কীভাবে দ্রুত কাজ শুরু করা যায়, তা সরাসরি মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবের তত্ত্বাবধানে শিখলেন। ফাইলের নোট নেওয়া, তা সঠিকভাবে ক্যারি‑ফরোয়ার্ড করা এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন সংগ্রহের ধাপগুলোকে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়।
প্রশিক্ষণ চলাকালে, অভিজ্ঞ ব্যুরোকারীরা উদাহরণস্বরূপ কিছু বাস্তব ফাইল তুলে ধরেন এবং মন্ত্রণালয়ের কাজের প্রবাহকে সরলীকৃত করে দেখান। “একটি ফাইলের ছোটো ভুলই পুরো প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে; তাই সঠিক নোটেশন ও সময়মতো অ্যাকশন নেওয়া জরুরি” বলে মুখ্যসচিব জোর দেন। মন্ত্রীরা প্রশ্নোত্তর সেশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল নতুন মন্ত্রীদের প্রশাসনিক কাজের সূক্ষ্মতা বোঝানো, যাতে তারা শীঘ্রই সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছন্দ হন। একই সঙ্গে, সল্টলেকের ‘পাঠশালা’কে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, সরকারকে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
অবশেষে, শুভেন্দু অধিকারী জানান, “প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা মানে শুধু কাগজের কাজ নয়; এটি জনসেবার গতি বাড়ায়। আমরা সব মন্ত্রীকে এই ধরনের হ্যান্ড‑অন প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও কার্যকরী করতে চাই।” এভাবে, ফাইলের টেবিল থেকে সরাসরি বাস্তব কর্মে রূপান্তরিত হওয়া নতুন মন্ত্রীদের জন্য এই সেশনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।




