
মমতার চড় খেলেন দলেরই ‘পুরনো সৈনিক’! কে এই বাপি?
কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের সামনে দলীয় কর্মীদের হাসপাতাল পাঠানোর সময় এক বয়স্ক কর্মী ‘বাপি’ হঠাৎই ভিড় নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে এসে ‘পুরনো সৈনিক’ হিসেবে কাজের দায়িত্ব নিলেন। তার দ্রুত পদক্ষেপে আহত কর্মীদের নিরাপদে হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
বুধবার বিকেলে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের সামনে একটি অপ্রত্যাশিত দৃশ্যের সাক্ষী হতে হলো শহরবাসি। দলীয় কর্মীরা যখন আহত সহকর্মীদের হাসপাতালে পাঠানোর তোড়জোড়া চালাচ্ছিলেন, ভিড়ের হালকা দৌড়‑দৌড়কে সামলাতে গিয়ে এক বয়স্ক কর্মী হঠাৎই সামনে এগিয়ে এলেন। স্থানীয় লোকজনের কথায় তিনি “বাপি” নামে পরিচিত, আর তার বয়স প্রায় ষাটের কাছাকাছি।
বাপি সরাসরি ভিড়ের গন্তব্যস্থলকে ভাগ করে দিলেন, যেন তিনি একসময়ই দলীয় সংগঠনের “পুরনো সৈনিক” ছিলেন। তিনি হাতে গাছের ডাল কেটে, নিরাপদ পথ তৈরি করলেন, এবং আহত কর্মীদের সঙ্গে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সমন্বয় করলেন। তার দ্রুত কাজের ফলে কোনো অতিরিক্ত ধাক্কা‑ধাক্কি ঘটেনি, এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
দলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বাপিকে প্রশংসা করে বললেন, “এমন অভিজ্ঞতা আর সহনশীলতা আমাদের দলকে গড়ে তুলতে অপরিহার্য।” পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও, বাপির স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগের প্রশংসা না করে পারি না। তার এই আত্মত্যাগের উদাহরণ তরুণ কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়ে তুলতে পারে।
অবশেষে, বাপি নিজের কাজকে স্বাভাবিক বলে গ্রহণ করে বলেন, “দল একই, মানুষ একই; কাজই কাজ।” তাঁর এই মনোভাবই আজকের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে সত্যিকারের ‘পুরনো সৈনিক’কে চিহ্নিত করে। বাপির এই স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে দলীয় সংহতি ও জনসাধারণের নিরাপত্তা দুটোই বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে, যা রাজনৈতিক দায়িত্বের একটি মডেল হিসেবে প্রশংসা পাবে।




