
পরিষেবা না মেলায় ক্ষোভ, হাওড়ার বাঁকড়া ৩‑নং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে স্থানীয়দের ঘেরাও
হাওড়ার বাঁকড়া ৩‑নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের পরিষেবা ঘাটতির প্রতিবাদে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাইয়া বিক্ষোভ দেখালেন। তারা তৎক্ষণাৎ কাজের অগ্রাধিকার ও সমন্বিত সভার দাবি করেন।
হাওড়া জেলায় বাঁকড়া ৩‑নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে মৌলিক পরিষেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চায়েত অফিসকে ঘেরাইয়া বিক্ষোভের মঞ্চ তৈরি করেন। গৃহভিত্তিক রসিদ, রসিকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যতীত, রাস্তায় বোরো গর্ত, অল্প জলের প্রাপ্যতা, শাটল সেবার ঘাটতি ইত্যাদি সমস্যার সমাধান না হওয়ায় গ্রামবাসীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
বিক্ষোভের সময় গ্রাম নেতারা মঞ্চে উঠে দাবি করেন যে, পঞ্চায়েতের দায়িত্বের আওতায় থাকা রোড মেরামত ও নিকাশী নেটওয়ার্কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হোক, আর জরুরি সেবার জন্য অতিরিক্ত কর্মী ও উপকরণ সরবরাহ করা হোক। তারা তৎক্ষণাৎ পঞ্চায়েতের পরিচালক ও সহকারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি চেয়ে দাবি করেন, যাতে সরাসরি সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করা যায়।
পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা জানানো হয় যে, বর্তমান বাজেটের ঘাটতি ও কেন্দ্রীয় অনুমোদনের বিলম্বের কারণে কিছু কাজ স্থগিত হয়েছে। তবে তারা গ্রামবাসীর উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জরুরি কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি দেয়। এছাড়া, এক সপ্তাহের মধ্যে একটি সমন্বিত সভা আয়োজন করে সমস্যার সমাধান পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তবে বিক্ষোভের পরিধি বাড়তে পারে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। তাই পঞ্চায়েতের কর্তৃপক্ষের তৎপরতা গ্রামবাসীর মনোভাব পরিবর্তনে মূল চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়াবে। শেষ পর্যন্ত, এই ঘটনা জনসাধারণের সেবার গুরুত্ব ও প্রশাসনিক দায়িত্বের পুনর্বিবেচনার দরকারি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।




