
ম্যাজিস্ট্রেটই দেন গুলি চালানোর নির্দেশ, মন্ত্রী নন: কেন্দ্রের কড়া জবাব রাহুলকে
কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁক ও জালিয়াতি দমনে কঠোর আইন পাশ করেছে। রাহুল গাঙ্গুলীর গুলি চালানোর আদেশের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটই দায়িত্ব স্বীকার করেছেন, মন্ত্রী নয়।
নয়াদিল্লিতে গত বুধবার লোকসভায় ধ্বনিভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে পাশ হয়ে গেল ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ পেপার লিক অ্যান্ড ফ্রড) অ্যাক্ট’। আইনটি প্রশ্নপত্র ফাঁক, কাগজের জালিয়াতি, কপিরাইট লঙ্ঘন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধ দমনের জন্য সর্বোচ্চ শাসন প্রয়োগের বিধান যুক্ত করেছে। এতে এখন দোষী প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ড অথবা আজীবন কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, আর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দ্রুত তদন্তের জন্য বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাহুল গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠে যে, তিনি কোনো ঘটনার সময় গুলি চালানোর আদেশ দিয়েছিলেন কিনা। উচ্চ আদালতে শুনানির সময় ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, গুলি চালানোর নির্দেশ তিনি দেননি, বরং বিচারের অধিকারী ম্যাজিস্ট্রেটই সেই আদেশ প্রদান করেছেন। এই স্পষ্টীকরণে রাহুল গাঙ্গুলি ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অবস্থান রক্ষা করতে পারছেন।
বিধানসভায় অতিক্রান্ত এই আইনটি শিক্ষার্থীদের এবং সমাজের কাছে এক নতুন নিরাপত্তা বার্তা বহন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁক ও জালিয়াতি বন্ধ করতে কঠোর শাস্তি কার্যকর হলে শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে কিছু আইন বিশেষজ্ঞের মতামতেও আছে যে, শাস্তি অতিরিক্ত কড়া হলে তা বাস্তবায়নে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
অবশেষে, কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে বহুলাংশে স্বাগত জানিয়ে বলা যায়, আইনের শাসন ন্যায়বিচারকে দৃঢ় করে। রাহুল গাঙ্গুলীর প্রশ্নের উত্তরেও স্পষ্ট হয়ে গেছে, গুলি চালানোর আদেশের দায়িত্ব সরকারী বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপরেই ন্যস্ত, কোনো মন্ত্রীীয় হস্তক্ষেপ নেই। এভাবেই কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা আইনগত কাঠামোকে শক্তিশালী করে, দেশের শিক্ষাক্ষেত্রকে সুরক্ষিত করার পথে অগ্রসর হচ্ছে।




