জেলবন্দি সব্যসাচীর প্রথম প্রতিক্রিয়া: রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়কের
রাজনীতি2 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

জেলবন্দি সব্যসাচীর প্রথম প্রতিক্রিয়া: রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়কের

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মিনিটগ্রেপ্তারির পর প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। তাঁর দাবি, ভিত্তিহীন অভিযোগে তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে, তবে আইনি লড়াইয়ে তিনি জয়ী হবেন।

< 1 মিনিট

দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি লড়াই এবং অবশেষে গ্রেপ্তারের পর এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। জেলবন্দি অবস্থাতেই প্রথমবার নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন তিনি। সব্যসাচীর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং এটি সম্পূর্ণভাবে একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ। তাঁর মতে, তাঁকে হেনস্থা করতেই এই ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার পিছনে নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হাত রয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থার পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে সব্যসাচী জানান, আইনের শাসনকে এখানে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, যদি সত্যিই তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ থাকত, তবে তা আগেই সামনে আনা যেত। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে মানসিক চাপের মুখে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন যে, আদালতের সামনে সমস্ত প্রমাণ পেশ করলেই সত্য সামনে আসবে এবং তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সব্যসাচী দত্তর এই গ্রেপ্তারির প্রভাব রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট গভীরে। বিশেষ করে প্রাক্তন বিধায়কের এই অবস্থান এবং তাঁর পাল্টা অভিযোগগুলি আগামী দিনে আইনি লড়াইকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিরোধী শিবিরের একাংশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী আচরণের অভিযোগ তুলেছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা তাদের প্রক্রিয়ার কথা বলে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে সব্যসাচী দত্তের আইনি লড়াই চলবে আদালতের অন্দরে। জামিনের আবেদনের পাশাপাশি তিনি কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেন, এখন সেটাই দেখার। তবে জেলবন্দি অবস্থাতেই যেভাবে তিনি আক্রমণাত্মক মেজাজে প্রতিক্রিয়া জানালেন, তাতে স্পষ্ট যে তিনি লড়াই ছেড়ে দেওয়ার মুডে নেই। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে তিনি এখন আদালতের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায়।

সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনাটি রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। একদিকে তদন্তকারী সংস্থার কঠোর অবস্থান, আর অন্যদিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের দাবি— এই দুইয়ের টানাপোড়েনের মাঝেই এখন সব্যসাচীর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। আদালতের চূড়ান্ত রায়ই বলে দেবে যে, এই গ্রেপ্তারি প্রকৃত অপরাধের ফল নাকি সত্যিই এর পিছনে কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX