
গ্রেপ্তারির পরে প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্তরের প্রথম প্রতিক্রিয়া — প্রশ্নের মুখে “নির্মমতা” ও “অবিচার”
মিনিটগ্রেপ্তারির পর প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্তর মিডিয়া সম্মেলনে “অবিচার” ও “নির্মমতা” শব্দে রাগ প্রকাশ করেছেন। তার আইনজীবী রেহানা ঘোষ দ্রুত রিলিফ পিটিশনের কথা জানান, যা আদালতে চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্তরের গ্রেপ্তারির পরদিনই তিনি মিডিয়া সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে জোরালো উত্তরে বললেন, “এটি কোনো স্বচ্ছ ন্যায়বিচার নয়, বরং রাজনৈতিক হিংসা।” দত্তর, যিনি সর্বশেষ দু’বছরে সিবিএসের সঙ্গে তীব্র বিরোধে জড়িয়ে ছিলেন, তার মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা তীব্রতর হয়েছে।
দত্তরের অভিযোগের মূল বিষয় হল, তিনি সিবিএসের বিরুদ্ধে “অবৈধ জবরদস্তি” ও “দুয়াদশ তহবিলের অপব্যবহার” নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, যা সিবিএসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিন্দা করে। গ্রেপ্তারির পর দত্তর বললেন, “যদি সত্যিকারের স্বচ্ছতা থাকে, তবে আমাকে মুক্তি দিয়ে আবার কাজ করতে দিন।” তার এই মন্তব্যকে সিবিএসের মুখ্য কর্মকর্তারা “অবিবেচনাপূর্ণ” বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আইনজীবী শ্রীমতি রেহানা ঘোষ, দত্তরের আইনজীবী, জানান, “দত্তরের গ্রেপ্তারী আদেশে কোনো প্রমাণের তালিকাভুক্তি নেই, ফলে আদালতে এই অমান্যতা চ্যালেঞ্জ করা হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, দত্তরের পক্ষ থেকে দ্রুতই রিলিফ পিটিশন দায়ের করা হবে এবং গ্রেপ্তারী আদেশের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হয়েছে।
অবশেষে, বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, এই ঘটনাটি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে কেবল এক ব্যক্তির নয়, বরং সিবিএস ও রাজনীতিবিদদের সম্পর্কের পুনর্বিবেচনার দরকার নির্দেশ করে। দত্তরের মুক্তি না হলে, রাজনৈতিক ও আইনগত সংঘর্ষ আরও বাড়তে পারে, যা শহরের শাসনব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে।
উপসংহারে বলা যায়, দত্তরের প্রথম প্রতিক্রিয়া একদিকে তার রাজনৈতিক দৃঢ়তা প্রদর্শন করে, অন্যদিকে সিবিএসের বিরুদ্ধে অভিযোগকে নতুন আইনি লড়াইয়ে রূপান্তরিত করে। ভবিষ্যতে কী হবে, তা আদালতের রায় ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।




