
বিধানসভায় নতুন বিধায়কদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ, স্পিকারের ঘোষণায় ডিজিটাল রূপান্তরের সূচনা
স্পিকার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নতুন বিধায়কদের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ঘোষণা করেছেন, যার লক্ষ্য “ই‑বিধানসভা” গঠন। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনক্লেভের অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, প্রযুক্তি-নির্ভর শাসন নিশ্চিত করা হবে।
বর্ধিত স্বচ্ছতা ও জনমুখী শাসন নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার আজ বিশেষ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা উন্মোচন করেছেন, যা নতুন বিধায়কদের দক্ষতা বাড়াবে এবং বিধানসভাকে “ই‑বিধানসভা” রূপে রূপান্তরিত করবে। স্পিকারের মতে, অতীতের কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনক্লেভে পশ্চিমবঙ্গের সক্রিয় অংশগ্রহণের সাফল্যই বর্তমান ডিজিটাল উদ্যোগের পেছনে প্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ই‑ড্রাফটিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, ডেটা বিশ্লেষণ ও পাবলিক এঙ্গেজমেন্ট টুলসের উপর বিশেষ সেশন অন্তর্ভুক্ত থাকবে; যাতে বিধায়করা সভা-সভার সময় সঠিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এছাড়া, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাগরিকের মতামত সংগ্রহ, প্রশ্নোত্তর সেশন এবং রিয়েল‑টাইম ভোটিং ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশিক্ষণের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য আইটি বিভাগ ও কিছু নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা, যারা আধুনিক প্রযুক্তি ও শাসন প্রথা সম্পর্কে সমগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিধানসভা কেবল প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক হবে না, বরং জনসেবার মানও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, স্পিকার এই রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা কেন্দ্রীয় সরকারের ডিজিটাল ইন্ডিয়া স্কিমের আওতায় নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। শেষ পর্যন্ত, পরিকল্পিত প্রশিক্ষণ ও ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া বিধানসভার কাজকে আরো স্বচ্ছ, দ্রুত এবং নাগরিক-কেন্দ্রিক করে তুলবে, যা রাজ্যের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত করবে।




