পর্যটন দপ্তরের দায়িত্বে শঙ্কর ঘোষ, উত্তরবঙ্গে উন্নয়নে বড় আশ্বাস
state9 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

পর্যটন দপ্তরের দায়িত্বে শঙ্কর ঘোষ, উত্তরবঙ্গে উন্নয়নে বড় আশ্বাস

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

শঙ্কর ঘোষের দপ্তরে গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী উত্তরবঙ্গের পর্যটন অবকাঠামো, ইকো‑ট্যুরিজম ও পাহাড়ি যানজট সমাধানে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছে, যা টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বুস্টের সম্ভাবনা তৈরি করবে।

পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের দপ্তরে হঠাৎ গমনেই উত্তরবঙ্গের পর্যটন অবকাঠামো পুনরুজ্জীবনের স্বর উঠে এসেছে। গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাওড়া, দার্জিলিং ও সিলিগুড়ি সহ তিনটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্রের রোড‑নেটওয়ার্ক, হোটেল ও ক্যাম্পিং সাইটের আধুনিকীকরণ ত্বরাতই শুরু হবে বলে ঘোষ উল্লেখ করেছেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়িকদের জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক পরিবেশ সৃষ্টিকরণ।

ইকো‑ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে ঘোষের পরিকল্পনা বিশেষভাবে চোখে পড়ে। তিনি হিল‑স্টেশন ও গাছ‑গাছের সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে “সবুজ পথ” প্রকল্প চালু করার কথা জানান, যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি না করে পর্যটন গন্তব্যের আকর্ষণ বাড়ানো হবে। এই প্রকল্পে স্থানীয় গাইডদের প্রশিক্ষণ, স্বল্পমেয়াদী হোমস্টে ও জৈবিক রেস্টুরেন্টের সমন্বয় থাকবে, যা টেকসই উন্নয়নের মডেল হিসেবে রূপ নেবে।

পাহাড়ি অঞ্চলের যানজট সমস্যার সমাধানে ঘোষ নতুন ‘শেয়ারড রাইডিং’ সেবা এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল রেললাইন চালু করার পরিকল্পনা করেছেন। গন্তব্যস্থানগুলোর মধ্যে সংক্ষিপ্ত দূরত্বে ইলেকট্রিক শাটল চালু করা হলে পরিবেশ বান্ধব গাড়ি ব্যবহার বাড়বে এবং ট্রাফিক জ্যাম কমবে বলে তিনি আশাব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি, পর্যটক‑সচেতনতা ও নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করা হবে যাতে দুর্ঘটনা কমে।

অবশেষে, শঙ্কর ঘোষের ভিশনে উত্তরবঙ্গের পর্যটনকে আন্তর্জাতিক মানের গন্তব্যে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলছেন, “উত্তরবঙ্গের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করলে দেশীয় ও বিদেশী পর্যটক উভয়ই এখানে আকৃষ্ট হবে।” এইসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় অর্থনীতি বুস্ট পাবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদী।

উপসংহারে, শঙ্কর ঘোষের পরিকাঠামো, ইকো‑ট্যুরিজম ও পরিবহন সংক্রান্ত একাধিক উদ্যোগের সমন্বয় উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সময়মত বাস্তবায়ন ও তদারকি নিশ্চিত হলে এই পরিকল্পনা শুধু পর্যটকসংখ্যা বাড়াবে না, বরং টেকসই উন্নয়নের মডেল হিসেবেও কাজ করবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX