
শিলিগুড়ি: সাফাই ব্যবস্থার হাল খতিয়ে দেখতে রাস্তায় প্রশাসক আর বিমলা
শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার বিমলা গৌড় শহরের সাফাই ব্যবস্থার বাস্তব অবস্থা জানার জন্য রাস্তায় নেমে পরিদর্শন চালিয়ে গেছেন। পরিদর্শনে কিছু এলাকায় নিকাশি কাজের ঘাটতি দেখা গিয়েছে, তবে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণে কিছু অংশে উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।
শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার বিমলা গৌড় একসঙ্গে নগর পরিষ্কারের বাস্তব অবস্থা জানার জন্য জরুরি পরিদর্শন চালিয়ে গেছেন। শহরের পরিচ্ছন্নতা, নিকাশি ও সাফাই ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করতে তারা একাধিক ওয়ার্ডে গিয়ে সরাসরি রাস্তায় নেমে কাজের গুণগত মান পর্যালোচনা করেন। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য ছিল দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে পরিষ্কার ছবি তুলে ধরা, যাতে অপ্রয়োজনীয় অলসতা দূর করা যায়।
পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, বেশ কিছু এলাকায় কংক্রিটের গাটার সঠিকভাবে পরিষ্কার না হওয়ায় পচা জল জমে এবং গন্ধ ছড়ায়। কিছু রাস্তায় সাদা ধূলার স্তর গড়ে দাঁড়ায়, যা দেখেই স্পষ্ট হয় যে নিয়মিত নিকাশি কাজটি বাদ পড়েছে। তবে কিছু ওয়ার্ডে সাইকেল চালক ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী গ্রুপের সক্রিয় অংশগ্রহণে সাফাই কাজ দ্রুত এবং সুসঙ্গতভাবে চলেছে, যা প্রশংসার যোগ্য।
পরিবেশের জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা প্রশাসক ও বিমলা গৌড় স্পষ্টভাবে বললেন। তিনি জানান, রেকর্ডে থাকা দোষারোপের বদলে বাস্তবিক পদক্ষেপে রোড ম্যানেজার ও সাফাই কর্মীদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো হবে, পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। এছাড়া, নাগরিকদের সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠীকে আরও সমর্থন দেওয়া হবে, যাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
উপসংহারে বলা যায়, শিলিগুড়ি শহরে সাফাই ব্যবস্থার হাল খতিয়ে দেখার এই উদ্যোগটি একদিকে দুর্বল দিকগুলোকে উন্মোচিত করেছে, অন্যদিকে উন্নতির সম্ভাবনা নির্দেশ করেছে। সময়মত পদক্ষেপ নিলে শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব, আর তা নাগরিকের স্বাস্থ্যের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।




