অরণ্য সপ্তাহে শিলিগুড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শংকর ঘোষের পরিবেশ রক্ষার আহ্বান
state1 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

অরণ্য সপ্তাহে শিলিগুড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শংকর ঘোষের পরিবেশ রক্ষার আহ্বান

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

শিলিগুড়ি অরণ্য সপ্তাহে বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের উদ্যোগে ৫০০ টিরও বেশি গাছ রোপণ করে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার জানায়। শংকর ঘোষের বক্তৃতা পরিবেশ সচেতনতায় নতুন দিক উন্মোচন করে।

শিলিগুড়ি—বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের উদ্যোগে অরণ্য সপ্তাহের বিশেষ অনুষ্ঠানে রোববার শহরের প্রান্তে এক বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিবেশবিদ শংকর ঘোষ উপস্থিত হয়ে গাছ রোপণের গুরুত্ব এবং সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার বার্তা দেন। রোপণকালে ৫০০ টিরও বেশি বাছা গাছ, সিট্রাস ও নেলগাছের চারা মাটিতে স্থাপন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে শিলিগুড়ি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বায়ু দূষণ কমে।

বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের আয়োজকরা উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় যুবক-যুবতী, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং স্বেচ্ছাসেবকরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। গাছ রোপণের পরপরই পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলের সঞ্চয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং গাছের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শংকর ঘোষ গাছ রোপণের সময় বলেন, “প্রতিটি গাছই আমাদের ভবিষ্যৎের শ্বাসপ্রশ্বাস। আজ রোপিত গাছগুলো আগামী প্রজন্মের শ্বাসকে শুদ্ধ করবে, তাই প্রত্যেকেরই এই কাজে হাত দিতে হবে।” তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে আরও বিস্তৃত বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যাতে নগরায়ণের সঙ্গে সঙ্গে সবুজায়নের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।

অরণ্য সপ্তাহের এই উদ্যোগের ফলে শিলিগুড়ির পরিবেশগত মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। গাছের ছায়া ও ফলের মাধ্যমে কৃষকদের অতিরিক্ত আয় সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি শহরের বায়ু গুণমানও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

উপসংহারে বলা যায়, শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কেবল গাছ রোপণেই সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবেশ সচেতনতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং টেকসই উন্নয়নের এক মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ধরণের উদ্যোগ যদি ধারাবাহিকভাবে চালু থাকে, তবে শিলিগুড়ি ও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের সবুজ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX