
ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে স্বস্তি! রাখি পূর্ণিমার আগেই লাডলি বেহনার ৩৯তম কিস্তি আসছে
মধ্যপ্রদেশের “লাডলি বেহনা” যোজনার ৩৯তম কিস্তি রাখি পূর্ণিমার আগে বিতরণ হবে, যা গরিব গৃহস্থালির জন্য আর্থিক স্বস্তি এনে দেবে। কিস্তির পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় সরাসরি সহায়তা নিশ্চিত হবে।
মধ্যপ্রদেশের মহিলাদের জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা শেষ হতে চলেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গৌরব শর্মা পরিচালিত “লাডলি বেহনা” যোজনার ৩৯তম কিস্তি, রাখি পূর্ণিমার আগে গৃহস্থালিতে পৌঁছাবে বলে সরকার নিশ্চিত করেছে। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম‑শহরের বহু পরিবারে মুখে হাসি ফুটে উঠেছে, কারণ প্রতিটি কিস্তি গর্ভবতী মা ও নবজাতকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষার সাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা নিয়ে আসে।
প্রতি মাসে গৃহকর্তা ও গৃহিণীরা প্রত্যাশা করে যে, গর্ভবতী গৃহিণীর প্রথম মাসে আরম্ভিক আর্থিক সহায়তা পাবে, এবং শিশুর জন্মের পরেও নির্দিষ্ট সময়ে অতিরিক্ত টাকা পাবে। এ বছর এই কিস্তির পরিমাণ অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গরিব গৃহস্থালির আর্থিক চাপ কমাতে সহায়ক হবে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, এই অর্থের মাধ্যমে শিশুর প্রারম্ভিক পুষ্টি, টিকাদান ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, কিস্তি বিতরণে কোনো বিলম্ব না হয় তা নিশ্চিত করতে বিশেষ দপ্তর গঠন করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে সমন্বয়কারী কর্মীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে, সরাসরি গ্রাহকদের হাতে টাকা পৌঁছে দেবে। এছাড়া, সুবিধাভোগী পরিবারকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাদের পেমেন্ট স্টেটাস দেখতে পারবে, যা স্বচ্ছতা বাড়াবে।
এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রদেশের নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশু স্বাস্থ্যের দিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। “লাডলি বেহনা” যোজনার ধারাবাহিকতা ও সমৃদ্ধি, ভবিষ্যতে আরও বেশি নারী-শিশুকে সুরক্ষিত করবে বলে আশা করা যায়। সরকার যদি এই প্রতিশ্রুতিকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে, তবে গৃহস্থালি উন্নয়নের পথে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।




