ইসরোর উপগ্রহ চিত্রে ‘বিগ পুশ’— বর্ষার মেঘে ঢাকল গোটা দেশ, বৃষ্টির দাপট শুরু
weather12 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ইসরোর উপগ্রহ চিত্রে ‘বিগ পুশ’— বর্ষার মেঘে ঢাকল গোটা দেশ, বৃষ্টির দাপট শুরু

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ইসরোর উপগ্রহ চিত্রে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ‘বিগ পুশ’ আকারে গঠন করে, যা দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টির দাপটের সূচনা ঘটাবে। শুষ্কতা থেকে বৃষ্টির স্বস্তি আসলেও, বন্যা ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ইসরোর (ISRO) সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দেশব্যাপী ‘বিগ পুশ’ আকারে প্রবাহিত হচ্ছে। জুন মাসে শতাব্দীর অন্যতম শুষ্ক পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল, কিন্তু জুলাইয়ের শুরুর সঙ্গে সঙ্গে মেঘের ঢাকনা গড়ে উঠেছে। মেঘের ছড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম পর্যন্ত বিস্তৃত, যা দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে তীব্র বৃষ্টির সম্ভাবনা নির্দেশ করছে।

মৌসুমী বাতাসের সূচনা দিয়ে বৃষ্টির দাপট ধীরে ধীরে বাড়বে, বিশেষত হাওড়া, চণ্ডীগড়, রাণীবাগ ও দক্ষিণ-পশ্চিমের পাহাড়ি এলাকায় তীব্র বৃষ্টি হতে পারে। মেটেরিয়াল গঠন ও বৃষ্টিপাতের গতি বিশ্লেষণকারী বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই বৃষ্টির ধারাবাহিকতা কৃষি শস্যের সেচে বড় সাহায্য করবে, তবে নগর এলাকার বন্যা ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই স্থানীয় প্রশাসনগুলোকে সতর্কতা অবলম্বন করে জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে।

আবহাওয়া মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে ‘বৃষ্টির সতর্কতা’ জারি করেছে এবং রেলওয়ে, সড়ক, ও সেতু সংরক্ষণে অতিরিক্ত পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-গড়ে চলাচলকারী গাড়ি চালকদেরকে ধীর গতি বজায় রাখতে এবং গড়ে বন্যা সম্ভাবনা সম্পর্কে তথ্য জানার জন্য মনিটর করতে আহ্বান জানানো হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের কৃষকরা এখন বীজ বপন বা ফসল রোপণ সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে পারেন।

বৃহত্তর মেঘের গঠন ও বৃষ্টির তীব্রতা নিয়ে মেটেরিয়াল বিজ্ঞানীরা সতর্ক করলেও, আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করছেন যে এই মৌসুমের বৃষ্টি দেশের পানীয় জল সরবরাহে বড় অবদান রাখবে এবং শুষ্কতার তীব্রতা কমাবে। তবে বৃষ্টির পর বন্যা, স্লাইড ও রাস্তায় গর্ত তৈরির সম্ভাবনা রয়ে গেছে, তাই প্রত্যেক নাগরিকেরই প্রস্তুতির দায়িত্ব নিতে হবে।

সামগ্রিকভাবে, ইসরোর উপগ্রহ চিত্রে দেখা ‘বিগ পুশ’ দেশের বৃষ্টির মৌসুমকে নতুন রূপ দিচ্ছে। স্বস্তি ও ঝুঁকি দুটোই একসাথে আছে; তাই সরকার, বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার, যাতে বৃষ্টির দাপটকে উপকারে রূপান্তর করা যায়।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX