দায়িত্ব নিতে না নিতেই রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদীকে হুমকি বাংলাদেশে! বাড়ল নিরাপত্তা
international1 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

দায়িত্ব নিতে না নিতেই রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদীকে হুমকি বাংলাদেশে! বাড়ল নিরাপত্তা

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

হেইফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর ওপর সরাসরি হুমকি জানিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতের দূতাবাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের সতর্ক সংকেত।

ঢাকা: ভারত‑বাংলাদেশ সম্পর্কের সংবেদনশীল মুহূর্তে নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নেতা মাওলানা মামুনুল হক সরাসরি হুমকি দিয়েছেন। ত্রিবেদী হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণের কয়েকদিনের মধ্যেই এই কঠিন শব্দগুলো শহরের নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে এসে পড়েছে, ফলে ভারতের দূতাবাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরোপ করা হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম, যিনি পূর্বে বাংলাদেশে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মঞ্চে প্রভাবশালী ছিলেন, টুইটারে ত্রিবেদীকে “বহিরাগত হস্তক্ষেপের শিকার” করে “শহরে বিশৃঙ্খলা বপন” করার অভিশাপ দিয়েছেন।

এই ঘটনার পর ভারতের মন্ত্রণালয় দ্রুত জানিয়ে দিয়েছে যে ত্রিবেদীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কোনো অবৈধ কাজের মুখোমুখি না হওয়ার নিশ্চয়তা দেবে। দুঃখজনকভাবে, এই ধরনের উগ্র মন্তব্যের পেছনে দু’টি মূল কারণ অনুমান করা হচ্ছে: একদিকে হেফাজতে ইসলামের রাজনৈতিক পুনরুদ্ধার ও অন্যদিকে ভারত‑বাংলাদেশ সীমান্তে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হাইকমিশনারের ভূমিকা কেবল কূটনৈতিক সংযোগই নয়, বরং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সেতু গড়ে তোলা। তাই হুমকি পেলে তা কেবল ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নয়, কূটনৈতিক সম্পর্কের সুরক্ষাকেও প্রভাবিত করে। এই প্রেক্ষিতে, দু’দেশের কূটনৈতিক মঞ্চে শীতলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সৎ কথোপকথন অপরিহার্য।

শেষে বলা যায়, দীনেশ ত্রিবেদীকে হুমকি দেওয়ার ঘটনা যদিও উদ্বেগজনক, তবে দ্রুত নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং কূটনৈতিক চ্যানেল চালু রাখা বিষয়টি আশাব্যঞ্জক। উভয় দেশের সরকার যদি এই সংকটকে শিখনশীল মুহূর্তে রূপান্তরিত করে, তবে ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনার ঝুঁকি কমে যাবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX