
যুক্তরাষ্ট্রের $৭০০ মিলিয়ন যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন সরবরাহের চুক্তি তুরস্ককে, ভারত নজরদারিতে
যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে $৭০০ মিলিয়ন মূল্যের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে, যা ভারতকে নিরাপত্তা নীতি পুনর্বিবেচনা করতে উদ্বুদ্ধ করবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে ৭০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি (প্রায় ৫,৮০০ কোটি টাকা) মূল্যের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন বিক্রির চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এই চুক্তি তুর্কি এয়ার ফোর্সের সর্বশেষ ফাইটার জেটের জন্য গৃহীত, যা এশিয়া‑প্যাসিফিক অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে।
ইঞ্জিন সরবরাহের অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে; তুরস্কের সামরিক ক্ষমতা বাড়লে ন্যাটো ও ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে তার ভূমিকা শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে, ভারতের নিরাপত্তা পর্যালোচনায় তুরস্ককে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, কারণ দু'দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভারতীয় বিশ্লেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, তুরস্কের আধুনিক যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন পেতে পারলে তার বৈমানিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর কৌশলগত পরিকল্পনায় নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে। তাই, নতুন ডিফেন্স ডিপ্লোমাসির মাধ্যমে ভারতের নিরাপত্তা নীতি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও লাভজনক, কারণ তুরস্কের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে আমেরিকান ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রির রপ্তানি আয় বাড়বে। তুর্কি সরকারও এই ডিলকে তার বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের মূল ধাপ হিসেবে গণ্য করেছে এবং অভ্যন্তরে এই বিষয়টি ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানাচ্ছে।
উপসংহারে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের তুরস্ককে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন সরবরাহের চূড়ান্ত চুক্তি কেবল দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নয়, বরঞ্চ দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিমণ্ডলে নতুন গতিবিধি সূচনা করবে, যা ভারতকে তার কূটনৈতিক ও সামরিক কৌশল পুনর্গঠন করতে বাধ্য করবে।




