২০১৫ সালের ভারত‑বাংলাদেশ চুক্তি বাতিল, মঙ্গলা বন্দর উন্নয়ন চীনের হাতে
international4 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

২০১৫ সালের ভারত‑বাংলাদেশ চুক্তি বাতিল, মঙ্গলা বন্দর উন্নয়ন চীনের হাতে

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

বাংলাদেশ সরকার মঙ্গলা বন্দর ও তার অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন চীনের হাতে অর্পণ করে ২০১৫ সালের ভারত‑বাংলাদেশ চুক্তি বাতিল করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপে চীনের বাণিজ্যিক স্বার্থ বাড়বে, তবে ভারত‑বাংলাদেশের সম্পর্কেও নতুন গতিপথ তৈরি হতে পারে।

মহানগরী ঢাকা থেকে প্রেরিত খবর অনুসারে, বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে ভারত‑বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মঙ্গলা বন্দর ও তার সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে চুক্তি বাতিল করে চীনের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করেছে। এই পদক্ষেপের পেছনে সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কারণ রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন; চীন বিশ্ববাজারে দ্রুত অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, আর ঢাকা সরকার তার আয়াত‑নির্যাতের ভারসাম্য রক্ষার জন্য নতুন বিকল্প খুঁজছে।

মঙ্গলা বন্দর, যা পূর্বে ভারতীয় সহযোগিতায় ধীরগতি চালু থাকায় সমালোচনার শিকার ছিল, এখন চীনের "বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ"-এর অংশ হিসেবে বিশাল পরিসরে পুনর্গঠন হবে বলে দাবি করা হয়েছে। চীনা কোম্পানি ইতিমধ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তহবিল সংগ্রহের জন্য দল পাঠিয়েছে; প্রস্তাবিত প্রকল্পে কন্টেইনার টার্মিনাল, লজিস্টিক হাব এবং জ্বালানি সঞ্চয় কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বঙ্গোপসথের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারত‑বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বে একধরনের চাপের সৃষ্টি হতে পারে। তবুও, ঢাকা সরকার দাবি করে যে চীনের অংশগ্রহণে বন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাবে এবং স্থানীয় শ্রমশক্তির জন্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হবে। এদিকে, ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে মঙ্গলা বন্দরকে অতিরিক্ত আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় রূপান্তরিত না করার জন্য কূটনৈতিক আলোচনার দরজা বন্ধ রাখবে না।

সারসংক্ষেপে, মঙ্গলা বন্দরকে চীনের হাতে তুলে দেওয়া কেবল একটিভূমি বিকাশের প্রকল্প নয়; এটি দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি সমীকরণে নতুন এক মোড় নির্দেশ করে। ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করবে ঢাকা সরকারের কূটনৈতিক দক্ষতা, চীনের বিনিয়োগের স্বচ্ছতা ও প্রতিবেশী দেশের প্রতিক্রিয়ার ওপর।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX