ইরানের ‘খাইবার-শেকান’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কেন এত বিধ্বংসী?
international3 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

ইরানের ‘খাইবার-শেকান’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কেন এত বিধ্বংসী?

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ইরান তার আধুনিক ‘খাইবার-শেকান’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। উচ্চ নির্ভুলতা, বিশাল পরিসীমা ও শক্তিশালী পে-লোডই এটিকে সবচেয়ে বিধ্বংসী করে তুলেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র সংঘাতের মাঝে ইরান তার সর্বাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘খাইবার-শেকান’ (Kheibar Shekan) ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক আঘাত হানা দিয়েছে। এই চালনা ইরানের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার নতুন মাত্রা উন্মোচন করেছে।

‘খাইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ পরিসীমা প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার, যা ইরানকে মধ্যপ্রাচ্য ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরাসরি হুমকি প্রয়োগের সক্ষমতা দেয়। এর গৃহীত পে-লোড প্রায় ১,০০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে এবং উন্নত গাইডেন্স সিস্টেমের সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুতে দশ মিটার থেকে কম ত্রুটি নিয়ে পৌঁছায়।

এছাড়াও, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গঠন উচ্চ-স্ফটিক বিস্ফোরক দিয়ে নির্মিত, যা কঠোর কংক্রিট বা ভূগর্ভস্থ সুবিধা ভেদ করে প্রভাব ফেলতে সক্ষম। এর দ্রুত গতি ও স্বয়ংক্রিয় পাথ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা শত্রুতে বড় ধরণের ধ্বংসযজ্ঞ আনতে পারে, ফলে একাধিক সিস্টেম একসঙ্গে ধ্বংস হয়ে যায়।

ইরানের এই পদক্ষেপ দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েলের মাঝে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ‘খাইবার-শেকান’ ব্যবহারে ইরান তার কৌশলগত শক্তি প্রদর্শন করে, যা অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোতে নতুন সামরিক ভারসাম্য সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যাতে এই ধরণের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

সর্বোপরি, ‘খাইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতা কেবল প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ভূ-রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতির প্রতিফলন। এধরনের অস্ত্রের প্রসার অঞ্চলীয় শান্তি বজায় রাখার জন্য কূটনৈতিক সমঝোতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX