
ভারত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে চীনের ভারী অস্ত্রের সামরিক মহড়া
চীন হিমালয়ের নিকটে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যা ভারত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় কূটনৈতিক সংলাপের আহ্বান জোরদার হয়েছে।
চীন তার সীমান্তে গৃহীত সর্বশেষ সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যেখানে ভারী আর্টিলারি, ট্যাঙ্ক ও রকেট ব্যাটালিয়ন ব্যবহার করা হয়েছে। এই মহড়া ভারত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে, হিমালয়ী সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকা দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আর্টিলারি রেজিমেন্ট সরাসরি গোলাবর্ষণ চালিয়ে প্রশিক্ষণরত সৈন্যদের লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্ট প্রহরণ প্রদর্শন করেছে।
মহড়ার সময় চীনা সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক কলোনি একটি উঁচু উচ্চতার ভূখণ্ডে সাঁতার কাটার মতো গতিতে অগ্রসর হয়েছে, যা অঞ্চলটির জটিল ভূ‑প্রকৃতিকে মানিয়ে নিতে তাদের সক্ষমতা তুলে ধরেছে। পাশাপাশি, রকেট লঞ্চার থেকে একাধিক সুনির্দিষ্ট রেঞ্জের গোলা ছোড়া হয়েছে, যা সীমান্তের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টিতে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
ভারত সরকার তাৎক্ষণিকভাবে পারস্পরিক সংলাপের আহ্বান জানিয়ে চীনের এই মহড়া বৈধতা ও পারদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সাম্প্রতিক দিনে দুই দেশের মধ্যে সীমান্তবিষয়ক বিরোধ বাড়তে থাকলে, কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চাওয়া সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা নির্দেশ করছেন যে, এ ধরনের সামরিক প্রদর্শনী ভবিষ্যতে অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোকে প্রভাবিত করতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, চীনের সীমান্তে চালানো এই মহড়া শুধুমাত্র সামরিক প্রশিক্ষণই নয়, বরং কৌশলগত বার্তা বহন করে। অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য দু'দেশের মধ্যে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে সংলাপ বজায় রাখা জরুরি, যাতে অনাবশ্যক উত্তেজনা এড়িয়ে গিয়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা করা যায়।




