নেপালের পাশে ভারত: কাঠমান্ডু দূতাবাসে শোক বইয়ে স্বাক্ষর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর
international1 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

নেপালের পাশে ভারত: কাঠমান্ডু দূতাবাসে শোক বইয়ে স্বাক্ষর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

নেপালে প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। নয়াদিল্লির নেপাল দূতাবাসে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে তিনি দুর্যোগকবলিত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জানান এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রতিবেশী দেশের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর দীর্ঘ ঐতিহ্যে আবারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ভারত। নেপালে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সোমবার নয়াদিল্লিতে অবস্থিত নেপাল দূতাবাসে গিয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারত ও নেপালের মধ্যের অটুট বন্ধুত্বের বার্তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

দূতাবাসে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করার সময় রাজনাথ সিং দুর্যোগকবলিত নেপালি মানুষের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নেপালের এই কঠিন সময়ে ভারত তাদের পাশে রয়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে যে বিপুল পরিমাণ মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছেন এবং যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। ভারতের পক্ষ থেকে এই সংহতির বার্তা কাঠমান্ডুর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, ভারত এবং নেপালের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক স্তরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি পারিবারিক সম্পর্কের মতো। দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ত্রাণকাজে ভারত সব সময় নেপালকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। অতীতেও বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় ভারতীয় সেনা এবং বায়ুসেনা নেপালে উদ্ধারকাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। এবারও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নেপালের সঙ্গে ভারতের এই সংবেদনশীল সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কেবল নিরাপত্তা বা বাণিজ্য নয়, মানবিক দিক থেকেও ভারত যে নেপালের 'সুখ-দুঃখের সাথী', তা এই শোক প্রকাশ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রমাণিত হলো। দুই দেশের সীমান্ত এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন এই পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও মজবুত করে তুলেছে।

পরিশেষে বলা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করা যে কোনো দেশের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে ভারতের এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং সহমর্মিতা প্রমাণ করে যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখতে নয়াদিল্লি বদ্ধপরিকর। নেপালের এই সংকটময় মুহূর্তে ভারতের এই মানবিক উদ্যোগ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX