
গাইবান্ধার বৃহত্তম রাম মূর্তি নির্মাণে বন্ধের আদেশ, তারেক রহমানের তদবির
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় দেশের সবচেয়ে বড় রাম মূর্তি নির্মাণে হঠাৎ বন্ধের আদেশ দেয়া হয়েছে তারেক রহমানের। পরিবেশগত উদ্বেগ ও স্বচ্ছতার দাবি মূর্তি প্রকল্পের পুনঃমূল্যায়নকে বাধ্য করেছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় দেশের সবচেয়ে বিশাল রাম মূর্তি তৈরিতে হঠাৎ থামার সংকেত পেয়েছে বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষক তারেক রহমানের। তিনি আজ সকালে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হস্তক্ষেপ করে নির্মাণ কাজ ‘অবিলম্বে বন্ধ’ করার নির্দেশ দেন, কারণ মূর্তি তৈরির অনুমোদন ও পরিবেশগত অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বৃহৎ মূর্তি, যার উচ্চতা ৪৫ মিটার ও ওজন প্রায় ৪০০ টন, হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পরিকল্পিত ছিল, তবে স্থানীয় অধিবাসীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে এই অতি বড় প্রকল্পের ফলে পলাশবাড়ীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পানির মান নষ্ট হতে পারে। তদুপরি, মূর্তি নির্মাণে ব্যবহৃত কঙ্কর ও ধাতুর পরিমাণে অযৌক্তিক ব্যয় ও স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগও উঠে।
তারেক রহমানের এই পদক্ষেপের সঙ্গে সঙ্গে গাইবান্ধা জেলার প্রশাসন জরুরি বৈঠক করে মূর্তির নকশা, অনুমোদন পত্র এবং পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করেছে। কমিটি দ্রুত কাজ করে প্রকল্পের বাস্তবতা, অর্থ ব্যয় এবং সামাজিক স্বীকৃতি যাচাই করবে বলে জানিয়েছে।
এই ঘটনায় গাইবান্ধা ও সামগ্রিক বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং জনসাধারণের মতামতকে সম্মান করার প্রয়োজনীয়তা পুনরায় জোরদার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে যদি প্রকল্পটি পুনর্বিবেচনা করা হয়, তবে ভবিষ্যতে অনুরূপ বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হবে।
উপসংহারে বলা যায়, তারেক রহমানের দ্রুত পদক্ষেপ ও স্বচ্ছতা সংক্রান্ত চাহিদা গাইবান্ধার রাম মূর্তি নির্মাণকে সঠিক পথে নিয়ে যাবে, যাতে ধর্মীয় অনুপ্রেরণা ও পরিবেশগত দায়িত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করা যায়।




