শত্রুর মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত ভারত, ১০৬টি দেশীয় ‘অগ্নিবেগ’ কামিকাজে ড্রোন হস্তান্তর সম্পন্ন
national29 মিনিট আগে১ মিনিট পড়ুন

শত্রুর মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত ভারত, ১০৬টি দেশীয় ‘অগ্নিবেগ’ কামিকাজে ড্রোন হস্তান্তর সম্পন্ন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে দেশীয় ‘অগ্নিবেগ’ কামিকাজে ড্রোনের হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে, যা শত্রুর কৌশলগত লক্ষ্যকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। এই ১০৬ ইউনিটের ড্রোন স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্য নির্ধারণ ও উচ্চ গতি দিয়ে রণকৌশলকে আধুনিক করে তুলবে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত জেট‑চালিত কামিকাজে ড্রোন সিস্টেম ‘পিসকিপার’ (অগ্নিবেগ) এখন সম্পূর্ণ হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ড্রোনগুলো ১০৬টি ইউনিটে গঠন করা হয়েছে এবং উচ্চ গতি, স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্য নির্ধারণ ও তীব্র ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসা অর্জন করেছে। গৃহবিকাশিত এই প্রযুক্তি কেবলমাত্র রণকৌশলকে আধুনিক করে নেয় না, বরং স্বদেশের শিল্পখাতের ওপরও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

ড্রোনগুলোকে ‘কম্বিনেশন অফ লিকুইড ফুয়েল ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম’ বলা হয়, যার ফলে তারা উচ্চ উচ্চতা থেকে দ্রুত গতি অর্জন করে শত্রুর কৌশলগত সাইটে প্রবেশ করে। সামরিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, অগ্নিবেগ ড্রোনের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টান্তে শত্রুর যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, রাডার ও এয়ারডিফেন্সকে অচল করে দিতে সক্ষম হবে। এ ধরণের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহারে যুদ্ধক্ষেত্রে মানবিক ক্ষতি কমে, তবে নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে কড়া নীতি প্রণয়ন করা জরুরি।

এই ডেলিভারির মাধ্যমে ভারত তার আত্মনির্ভরতা বাড়িয়ে তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাজারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে অগ্রগতি করেছে। দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে গর্বের অনুভূতি প্রকাশ করেছে, কারণ এ ধরণের উচ্চ প্রযুক্তি প্রকল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করে।

অবশেষে, ড্রোন হস্তান্তরের পরপরই সেনাবাহিনী এই সিস্টেমের প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল টেস্টিং শুরু করেছে। সরকার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একসাথে নিশ্চিত করবে যে অগ্নিবেগ ড্রোনগুলো নির্ধারিত সীমা ও শর্তে ব্যবহার করা হবে, যাতে আন্তর্জাতিক আইনের পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকে।

উপসংহারে বলা যায়, অগ্নিবেগ কামিকাজে ড্রোনের সফল হস্তান্তর শুধু ভারতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করে নি, বরং সামরিক কৌশলে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। স্বদেশি প্রযুক্তির এই অগ্রগতি দেশের নিরাপত্তা ও গর্বের ভিত্তি মজবুত করবে, এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থার দরজা খুলে দেবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX