
ঠাকুমার মৃত্যুসংবাদ নিয়ে পুলিশি হেনস্থা? দিল্লি পুলিশকে খোলা চ্যালেঞ্জ অভিজিৎ দীপকের
ঠাকুমার মৃত্যুসংবাদ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে সংবেদনহীনতার অভিযোগ তুলেছেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপক। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে পুলিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তিনি, যা নিয়ে বর্তমানে তুঙ্গে বিতর্ক।
পরিবারের শোকের মুহূর্ত কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মুখে পড়ল? এমন প্রশ্ন তুলেই এবার খোদ দিল্লি পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন কক্রোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা তথা আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপক। তাঁর ঠাকুমার প্রয়াণের খবর পুলিশ যেভাবে তাঁকে জানাল, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র তরজা শুরু হয়েছে।
অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, তাঁর ঠাকুমার মৃত্যুর খবরটি পুলিশ অত্যন্ত সংবেদনহীনভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে জানিয়েছে। তাঁর দাবি, শোকাতুর পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোর পরিবর্তে পুলিশ এখানে এক ধরণের মানসিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। ভিডিওতে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, প্রশাসনের এই আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি চরম আঘাত।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একপক্ষের দাবি, পুলিশ কেবল তাঁদের কর্তব্য পালন করেছে এবং সংবাদটি পৌঁছে দিয়েছে। অন্যদিকে, অভিজিৎ দীপকের সমর্থকদের দাবি, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমন করতে পুলিশ প্রায়শই এই ধরণের কৌশল অবলম্বন করে। এই বিতর্ক এখন আইনি লড়াইয়ের দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া না হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে যে, শোকের সময়েও কি রাজনীতির প্রভাব এতটাই প্রবল যে পুলিশি ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে? অভিজিৎ দীপক জানিয়েছেন, তিনি এই বিষয়ে মাথা পেতে নেবেন না এবং যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।
সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনাটি প্রশাসনের সাথে সাধারণ নাগরিকের সম্পর্কের টানাপোড়েনকেই আরও একবার সামনে এনে দিল। মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে পুলিশি আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনে দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।




