দক্ষিণ ভারতের গন্ডি ছাড়িয়ে এবার বাংলা জয় করতে চায় বিজয়ের দল, পূর্ব বর্ধমানে খুলে গেল দলীয় কার্যালয়
রাজনীতি17 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

দক্ষিণ ভারতের গন্ডি ছাড়িয়ে এবার বাংলা জয় করতে চায় বিজয়ের দল, পূর্ব বর্ধমানে খুলে গেল দলীয় কার্যালয়

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনৈতিক নেতা সি. জোসেফ বিজয়ের দল 'টিভিকে' প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে পা রাখল। পূর্ব বর্ধমানে দলীয় কার্যালয় খুলে তারা বাংলায় নিজেদের প্রচার ও সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনা শুরু করেছে।

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ঝড় তোলা অভিনেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী সি. জোসেফ বিজয়ের দল 'তামিলাগা ভেট্রি কাজ়াগম' বা টিভিকে (TVK) এবার পা রাখল বাংলার মাটিতে। দক্ষিণ ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে দলীয় কার্যালয় খুলেছে এই দল। রবিবার পূর্ব বর্ধমানে এই কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলায় নিজেদের সাংগঠনিক ভিত মজবুত করার পথে প্রথম পদক্ষেপ নিল বিজয়ের দল।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজয়ের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণত আঞ্চলিক দলগুলো নিজেদের রাজ্যের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু টিভিকে-র এই বিস্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তারা জাতীয় স্তরে বা অন্ততপক্ষে প্রতিবেশী রাজ্যগুলোতে নিজেদের পরিচিতি বাড়াতে আগ্রহী। পূর্ব বর্ধমানকে কেন্দ্র করে এই কার্যালয় খোলার পেছনে কৌশলগত কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কেবল তামিলনাড়ুর মানুষের জন্যই নয়, বরং বৃহত্তর সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করতে চায়। বাংলার মাটিতে এই কার্যালয় খোলার মাধ্যমে তারা স্থানীয় স্তরে কর্মী নিয়োগ এবং প্রচারের কাজ শুরু করবে। যদিও বর্তমানে তাদের মূল লক্ষ্য তামিলনাড়ুর রাজনীতি, তবে বাংলার মতো একটি রাজনৈতিকভাবে সচেতন রাজ্যে উপস্থিতি জানান দিয়ে তারা এক নতুন দিগন্তের খোঁজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বিজয়ের এই যাত্রা ভারতের অন্যান্য রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হতে পারে। বিশেষ করে যারা বিনোদন জগত থেকে রাজনীতিতে আসেন, তাদের জন্য এই মডেলটি নতুন দিশা দেখাতে পারে। এখন দেখার বিষয়, তামিলনাড়ুর বাইরে বাংলার সাধারণ মানুষের কাছে টিভিকে-র আদর্শ কতটা গ্রহণযোগ্য হয় এবং তারা এখানে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, পূর্ব বর্ধমানে এই দলীয় কার্যালয় খোলা কেবল একটি দপ্তরের সূচনা নয়, বরং তা একটি বড় রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। দক্ষিণ ভারতের একটি আঞ্চলিক দলের এই সাহসী পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। আগামী দিনে এই দল এখানে কতটা সক্রিয় হয়ে ওঠে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX