
তেজজ্ঞানের “ম্যাজিক অব আওয়ার্কেনিং” রিট্রিট ২৫ বছর, ১.২৫ লাখ আত্ম‑অন্বেষীকে স্পর্শ করেছে
তেজজ্ঞান ফাউন্ডেশন ২৫ বছর পূর্ণ করে ১.২৫ লাখের বেশি মানুষকে “ম্যাজিক অব আওয়ার্কেনিং রিট্রিট” দিয়ে আত্মিক জাগরণে সহায়তা করেছে; কলকাতায়ও এই উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
পুনে‑এর তেজজ্ঞান ফাউন্ডেশন তার ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম “ম্যাজিক অব আওয়ার্কেনিং রিট্রিট” উদযাপন করছে ২৫ তম বার্ষিকী এবং এ পর্যন্ত ১.২৫ লাখ অনুসন্ধানকারীকে আত্মিক জাগরণে সহায়তা করেছে। এই রিট্রিটটি প্রতিটি বছর কয়েক দিনের জন্য আয়োজন করা হয় এবং যোগ, ধ্যান, শ্বাস‑প্রশ্বাসের অনুশীলন ও আত্ম‑পর্যালোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীর মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে লক্ষ্য রাখে।
প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তিগত সীমা ভাঙা, অভ্যন্তরীণ শানতি খুঁজে পাওয়া এবং জীবনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা; তাই প্রত্যেক সেশনকে বিজ্ঞান‑সমর্থিত পদ্ধতি ও প্রাচীন গুরুকুলের শিক্ষার সমন্বয়ে গঠন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা জানিয়ে আছে যে রিট্রিটের পর তারা মানসিক চাপ কমে গিয়েছে, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন অনুভব করেছে।
পশ্চিমবঙ্গের শহরগুলিতে, বিশেষ করে কলকাতায়, তেজজ্ঞানের রিট্রিটের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে; স্থানীয় কিছু সেলফ‑ডেভেলপমেন্ট কেন্দ্র ইতিমধ্যে একইধরনের কর্মসূচি চালু করেছে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আত্ম‑উন্নয়নকে সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব, যা তরুণ ও বয়স্ক উভয়েরই প্রয়োজনীয়।
২৫ বছর পূর্ণ হওয়া এই মাইলফলকে তেজজ্ঞান ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষকে স্পর্শ করতে চায়, বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। তারা নতুন কর্মশালা, অনলাইন সেশন ও আন্তর্জাতিক রিট্রিটের পরিকল্পনা করে আছে, যাতে আত্মিক জাগরণকে সর্বজনীন করে তোলা যায়।
সংক্ষেপে, তেজজ্ঞানের “ম্যাজিক অব আওয়ার্কেনিং রিট্রিট” তার ২৫ তম বছরে ১.২৫ লাখের বেশি অনুসন্ধানকারীকে আত্মিক জাগরণে সহায়তা করে একটি বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে এবং আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে প্রস্তুত।




